শান্তি প্রক্রিয়া ইতিহাসের পুণর্লিখন
যদি ইন্ডিক এবং কুরিয়েল বিশ্বাস করেন যে, ফিলিস্তিন কখনোই প্যারামিটার মেনে নিতে ও ইসরাইলের সাথে শান্তি চুক্তি করতে চায়নি, ভাল। তারা তা মনে করুক। যদিও ঐতিহাসিক সত্য ভিন্ন কথা বলে।
মেরুনপেপারে প্রকাশিত সমস্ত গবেষণা, মতামত, বই পর্যালোচনা ও বিশ্লেষণধর্মী প্রবন্ধের সম্পূর্ণ সংকলন।
যদি ইন্ডিক এবং কুরিয়েল বিশ্বাস করেন যে, ফিলিস্তিন কখনোই প্যারামিটার মেনে নিতে ও ইসরাইলের সাথে শান্তি চুক্তি করতে চায়নি, ভাল। তারা তা মনে করুক। যদিও ঐতিহাসিক সত্য ভিন্ন কথা বলে।
আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সনদ মূলত সর্বজনীন মানবাধিকার ঘোষণা, অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অধিকার বিষয়ক আন্তর্জাতিক চুক্তি, নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকার বিষয়ক আন্তর্জাতিক চুক্তি এবং এ সংক্রান্ত ঐচ্ছিক প্রটোকলসমূহের এক সমন্বিত রূপ।
আন্তর্জাতিক সমস্যাগুলোর মধ্যে পশতুনিস্তান সমস্যা অন্যতম যা গত শতাব্দীর পঞ্চাশের দশক থেকে আজও অমিমাংসিত অবস্থায় বিষবাষ্প ছড়াচ্ছে। পশতুনিস্তান, পাকতুনিস্তান নামেও পরিচিত যার অর্থ “পশতুদের দেশ”।
অন্ধকারের ত্রাস ঠগীরা দলবদ্ধভাবে ঘুরে বেড়াতো ভারত জুড়ে। প্রধানত বড় বড় সড়কগুলোতে ডাকাতদের মত সংঘবদ্ধভাবে তারা কাজ করত। তাদের শিকার ছিল একা পথচারী, ব্যবসায়ী বা তীর্থযাত্রী। কিছু হিসেব অনুযায়ী ১৭৪০ সাল থেকে ১৮৪০ সাল পর্যন্ত ভারতজুড়ে ঠগীরা ১০ লক্ষের বেশি মানুষ হত্যা করেছিল যদি ঠগীদের ইতিহাসের শুরু আঠারো শতক ধরা হয়।
সাইপ্রাস, ভূমধ্যসাগরের একটি দ্বীপ যা তুরস্কের উপকূল হতে মাত্র ৪০ মাইল দূরে অবস্থিত। এ দ্বীপটির উত্তরাংশে তুর্কি বংশোদ্ভুত মুসলিম এবং দক্ষিণাংশে গ্রীক বংশোদ্ভূত খৃষ্টান জাতি বসতি গড়ে তুলেছিল। বিভিন্ন বিষয়ে মত পার্থক্যের কারণে উভয়ের মাঝে সৃষ্টি হয় বিদ্বেষ ও হিংসাত্মক সম্পর্কের যা গত দু’দশকেরও বেশি সময় ধরে ভূমধ্যসাগরীয় এলাকার শান্তি ও নিরাপত্তার পথে বাঁধা হয়ে উঠেছে।
নেলসন ম্যান্ডেলার জন্ম থেকে মৃত্যু, বর্ণবাদবিরোধী সংগ্রাম, ২৭ বছরের কারাজীবন এবং দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ রাষ্ট্রপতি হওয়ার রোমাঞ্চকর ইতিহাস জানুন।
মানবাধিকার কমিটি হলো বিশেষজ্ঞগণের সমন্বয়ে গঠিত একটি নিরপেক্ষ সংস্থা, যা রাষ্ট্রপক্ষসমূহের 'নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকার বিষয়ক আন্তর্জাতিক চুক্তি'র বাস্তবায়ন তদারকি করে থাকে।
মানবাধিকারের ধারণাটি ব্যক্তিভেদে ভিন্নতর; এর উপলব্ধিতে প্রায়শই বৈসাদৃশ্য পরিলক্ষিত হয়। প্রকৃতপক্ষে, মানবাধিকারের বোধ কোনো স্থবির বিষয় নয়, বরং এটি নিরন্তর বিবর্তনশীল। বিভিন্ন রাষ্ট্রের সাংস্কৃতিক প্রেক্ষাপট, আইনি কাঠামো, মতাদর্শগত অবস্থান এবং আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিস্থিতির বহুমুখী ভিন্নতার কারণে মানবাধিকারের একটি সর্বজনীন ও সুনির্দিষ্ট সংজ্ঞা নির্ধারণ করা দুরূহসাধ্য।
মানবাধিকার কোনো আকস্মিক আবিষ্কার নয়। কোনো গবেষণাগারে বসে কিংবা পাহাড়ের চূড়ায় ধ্যানে মগ্ন হয়ে কেউ মানবাধিকারের ধারণাটি খুঁজে বের করেনি। মানব সভ্যতার সূচনালগ্ন থেকে, মানবশিশুর জন্মের পর থেকেই মানবাধিকারের অস্তিত্ব বিদ্যমান। এটি একান্তই প্রাকৃতজাত; সমাজকাঠামোর প্রতিটি স্তরেই এর স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি অনস্বীকার্য।
ছোট সোনা মসজিদ, খনিয়া দীঘি ও মসজিদ, দারাসবাড়ি মাদ্রাসা ও মসজিদ, তাহাখানা কমপ্লেক্স উল্লেখযোগ্য। এই স্থাপত্যগুলো নির্মিত হয়েছিল মূলত দেশীয় ও দিল্লির রাজকীয় স্থাপত্যরীতির এক অপুর্ব সংমিশ্রণে।
বাঙালি আপন সত্তা ও স্বকীয় কর্মযজ্ঞে এতটাই নিমগ্ন যে, ভিনদেশি সংস্কৃতির আগ্রাসন কিংবা লৌকিক উপদ্রব—কোনোকিছুই তাদের ভ্রুক্ষেপ উদ্রেক করতে সক্ষম হয় না।
গত ২৪ ফেব্রুয়ারি, বৃহস্পতিবার একেবারে ঘোষণা দিয়েই রাশিয়া আক্রমন শুরু করেছে। উত্তরে বেলারুশ, দক্ষিনে ক্রিমিয়া, কৃষ্ণ সাগর আর পুর্বে সদ্য স্বাধীনতা প্রাপ্ত দোনেটস্ক ও লুহান্সক থেকে এই আক্রমন শুরু হয়েছে। স্থল, আকাশ ও জলসীমা ব্যবহার করে ক্রেমলিনের বহুমুখি এই আক্রমনে ইউক্রেন বিপর্যস্ত হওয়ার মুখোমুখি হয়ে পড়েছে।
কিছু দেশে সত্যিকার অর্থেই শরণার্থী সমস্যা বিরাজমান। উদাহরণস্বরূপ, লেবাননে, যেখানে জনসংখ্যার সম্ভবত এক-চতুর্থাংশ সিরিয়া থেকে আগত শরণার্থী আর তার উপরে ফিলিস্তিন ও ইরাক থেকে আসা শরণার্থীদের বন্যা।
গত বুধবার ভারতের কর্ণাটকের মেয়ে মুসকান খান বেশ ঝড় তুলেছে, প্রতিবাদের ঝড়। এবং এই ঝড়কে প্রতিরোধের ঝড় বলাটাও মনে হয়না ভুল হবে। আর এই ঝড়ের ঝড়ো হাওয়া ভারতের প্রতিবেশীদের নাড়িয়ে দিয়েও সারা বিশ্ব দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। সারা বিশ্ব মুগ্ধ মুসকানের এই প্রলয়ঙ্করী আবির্ভাবে। যে গুণ নিজের জন্য আবশ্যক হলেও, যারা ঘরের কোনে ঘাপটি মেরে বসে থাকে তবু প্রতিবাদ করে না অন্যায়ের, তারাও মুসকানের এই ‘একাই একশো’ রূপ দেখে বিমুগ্ধ, বিমোহিত।
কয়েক বছর আগেই, ২০১৪ সালে ইউক্রেন আক্রমন করে ক্রিমিয়া দখল করে নেয় রাশিয়া। আবার এই ২০২২ সালে এসেও হম্বিতম্বি করছে ইউক্রেন সীমান্তে দাঁড়িয়ে। আমেরিকা ও ন্যাটোর দাবি বলছে, খুব শীঘ্রই যেকোন দিন রাশিয়া আগেরবারের মত আবারো ইউক্রেন আক্রমন করতে যাচ্ছে।