মেরুনপেপার — Header

সাক্ষী কাকে বলে? সাক্ষী কত প্রকার?

সাক্ষী শব্দের উৎপত্তি সংস্কৃত শব্দ সাক্ষ্য থেকে। মামলায় তাদের কর্মকান্ড, সংশ্লিষ্টতা, সংশ্লিষ্টতার ধরণ, ও তাদের বিশেষত্বের ভিত্তিতে সাক্ষীর প্রকারভেদ আলোচনা করা হয়।
সাক্ষী, সাক্ষী কত প্রকার

সাক্ষী শব্দের উৎপত্তি সংস্কৃত শব্দ সাক্ষ্য থেকে। সাক্ষী শব্দের আভিধানিক অর্থ হল “দর্শক”, “দর্শী”, “প্রত্যক্ষদর্শী”, “অভিজ্ঞ ব্যক্তি”, “যার সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়”।মূলত, যে ব্যক্তি কোন ঘটনা বা কার্যকলাপের প্রত্যক্ষদর্শী হন এবং তার সম্পর্কে সত্যিকারের তথ্য জানেন, তাকেই সাক্ষী বলা হয়।

আইনগত অর্থে, সাক্ষী হল এমন একজন ব্যক্তি যিনি স্বেচ্ছায় বা বাধ্যতামূলকভাবে, তারা যা জানেন বা জানার দাবি করেন তার মৌখিক বা লিখিত সাক্ষ্যপ্রমাণ প্রদান করেন। সাক্ষীর প্রধান কাজ হল কোন ঘটনা বা কার্যকলাপের সত্যিকারের তথ্য প্রদান করা। সাক্ষীর সাক্ষ্যপ্রমাণ একটি মামলার ঘটনা এবং পরিস্থিতি প্রতিষ্ঠা করে একটি মামলার ফলাফল নির্ধারণে সাক্ষী অনেক গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা পালন করে।

সাক্ষী কাকে বলে? কে সাক্ষ্য দিতে পারে?

সাক্ষী কত প্রকার?

১৮৭২ সালের সাক্ষ্য আইনের ১১৮ ধারায় সাক্ষীর যোগ্যতা সম্পর্কে বলা হয়েছে। কে সাক্ষ্য দিতে পারেন সে প্রশ্নে বলা হয়েছে যে, সকল ব্যক্তিই সাক্ষ্য দিতে পারবেন যদি না আদালত বিবেচনা করেন যে তারা তাদের অপ্রাপ্ত বয়স, চরম বার্ধক্য, শারীরিক বা মানসিক অসুস্থতা, অথবা  এধরনের অন্য যে কোন কারণেই হোক না কেন প্রশ্নগুলি বুঝতে বা এই প্রশ্নগুলির যৌক্তিক উত্তর দিতে সক্ষম নন। অর্থ্যাৎ, জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন বুঝতে ও যুক্তিসংগত উত্তর দিতে সক্ষম যে কোন ব্যক্তি সাক্ষ্য দিতে পারে। যাইহোক, মামলায় তাদের কর্মকান্ড, সংশ্লিষ্টতা, সংশ্লিষ্টতার ধরণ, ও তাদের বিশেষত্বের ভিত্তিতে সাক্ষীর প্রকারভেদ আলোচনা করা হয়। তাদের মধ্যে সাধারণ কিছু প্রকার নিচে আলোচনা করা হলোঃ

প্রসিকিউশন সাক্ষী (Prosecution witness)

বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী, যে সাক্ষীকে রাষ্ট্রপক্ষ বিচারের সময় কোন মামলার অভিযোগের পক্ষে সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য আদালতে হাজির করে, তাকে প্রকিউশন সাক্ষী বলা হয়। প্রকিউশন সাক্ষীর সাক্ষ্য সাধারণত মামলার অভিযোগ প্রমাণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষীদেরকে সংক্ষেপে PW বলা হয়।

What is Law? What are the different types of law?

ডিফেন্স সাক্ষী (Defense witness)

বিবাদী পক্ষের সাক্ষী বা ডিফেন্স সাক্ষী হল সেই সাক্ষী যিনি বিবাদী বা অভিযুক্তের পক্ষে সাক্ষ্য প্রদান করেন। বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী, যে সাক্ষীকে আসামী পক্ষ বিচারের সময় কোন মামলার অভিযোগের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য আদালতে হাজির করে, তাকে ডিফেন্স সাক্ষী বলা হয়। ডিফেন্স সাক্ষীর সাক্ষ্য সাধারণত অভিযুক্তের নির্দোষতা প্রমাণের জন্য তথ্য প্রদান করে। বিবাদীর সাক্ষীদেরকে সংক্ষেপে DW বলা হয়।

বৈরী সাক্ষী (Hostile Witness)

বাংলাদেশের সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ১৫৪ ধারা অনুযায়ী, যে সাক্ষীকে উকিল বা কোনো পক্ষ তার নিজের সমর্থনে ডাকলেও; আহবানকারী পক্ষের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেয় বা শত্রুভাবাপন্ন বিবৃতি দেয় তাকে বৈরী সাক্ষী বলা হয়। অর্থাৎ, কোন সাক্ষী নিজ পক্ষের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য প্রদান করলে তাকে বৈরী সাক্ষী বা Hostile Witness বলে। বৈরী সাক্ষীকে প্রতিকূল সাক্ষীও বা Adverse Witness বলা হয়।

দৈব সাক্ষী (Chance WItness)

Chance Witness বা দৈব সাক্ষী হলেন সেই সাক্ষী যিনি দৈবক্রমে ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী। দৈব সাক্ষী হলেন এমন সাক্ষী সাধারণত যার ঘটনাস্থলে থাকার কথা না কিন্তু ঘটনার দিন তিনি ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন এবং ঘটনা সম্পর্কে সাক্ষ্য দেন।

সাক্ষ্য কাকে বলে? সাক্ষ্য কত প্রকার ও কি কি?

সাফাই সাক্ষী (Witness cited to prove the innocence of the accused)

সাফাই সাক্ষী বলতে সেই সাক্ষীকে বোঝায় যাকে আসামীপক্ষ ডাকে এবং সাক্ষ্য প্রদানের মাধ্যমে আসামীর পক্ষে সাফাই দেয়। ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ৩৪০ ও ৩৪২ ধারায় সাফাই সাক্ষ্য সংক্রান্ত বিধান দেয়া আছে। ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী, কোন মামলা, অনুসন্ধান, বা আদালতে মামলা চলাকালীন সময়ে অভিযুক্ত আসামীকে তার নিজ সম্পর্কে সাক্ষ্য অর্থাৎ, আত্মপক্ষ সমর্থণ করে যে সাক্ষ্য অথবা আসামী বা অভিযুক্তের পক্ষে অন্য কোন ব্যক্তি সাক্ষ্য প্রদান করলে তাকে সাফাই সাক্ষী বলে।

রাজসাক্ষী (Approver)

রাজসাক্ষী বলতে সেই সাক্ষীকে বোঝায় যাকে অপরাধের তথ্য প্রদানের বিনিময়ে সরকার ক্ষমা করে। ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ৩৩৭, ৩৩৯ ও ৪৯৪ ধারায় রাজসাক্ষী সংক্রান্ত বিধান দেয়া আছে।  কোন গুরুতর অপরাধের ঘটনা উদ্ঘাটনের স্বার্থে কোন অপরাধী, প্ররোচক বা জড়িত হিসেবে অপরাধের বিষয়ে বা প্রত্যেক সহ অপরাধীর বিষয়ে তার জ্ঞানের মধ্যে থাকা সকল ঘটনার সম্পূর্ণ ও সত্য বিবরন প্রকাশ করার শর্তে বিচারক উক্ত অপরাধীকে ক্ষমার প্রস্তাব দিতে পারেন। এমন সাক্ষীকে রাজসাক্ষী বলা হয়।

আবশ্যকীয় সাক্ষী (Material Witness)

ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ৫৪০ ধারার বিধান অনুযায়ী, কোন আদালত, ফৌজদারী কার্যবিধির অধীনে কোন অনুসন্ধান, বিচার বা অন্যান্য কার্যক্রমের যে কোন পর্যায়ে, কোন ব্যক্তিকে সাক্ষী রূপে তলব করতে পারবে, অথবা, সাক্ষী রূপে তলব না করেও উপস্থিত কোন ব্যক্তিকে, অথবা ইতিমধ্যে যাচাইকৃত কোন ব্যক্তিকে পুনরায় তলব ও পুনঃনিরীক্ষা করতে পারবে; এবং ন্যায় বিচারের জন্য তার সাক্ষ্যপ্রমাণ অপরিহার্য বলে মনে হলে আদালত সেই ব্যক্তিকে তলব ও পরীক্ষা বা প্রত্যাহার এবং পুনরায় পরীক্ষা করতে পারবেন। 

বিশেষজ্ঞ সাক্ষী (Expert Witness)

বিশেষজ্ঞ সাক্ষী বলতে সেই সাক্ষীকে বোঝায় যাদের কোন বিশেষ বিষয়ে বিশেষজ্ঞ জ্ঞান বা অভিজ্ঞতা রয়েছে।এই সাক্ষীরা তাদের বিশেষজ্ঞ জ্ঞান বা অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে আদালতে সাক্ষ্য প্রদান করে। সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ৪৫ ধারায় বিশেষজ্ঞ সাক্ষী সংক্রান্ত বিধান দেয়া আছে। বিদেশী আইন, বিজ্ঞান, ভৌত বা ফরেনসিক প্রমাণ বা ডিজিটাল রেকর্ড, বা শিল্প, বা হাতের লেখা বা আঙুলের ছাপ বা পায়ের ছাপ বা হাতের ছাপ বা হাতের ছাপ বা আইরিস ছাপ বা টাইপরাইটিং বা বাণিজ্য বা প্রযুক্তিগত শর্তাবলী বা ব্যক্তি বা প্রাণীর পরিচয়ের পরিচয় সম্পর্কে আদালতকে যখন কোন সিদ্ধান্তে আসতে হয় তখন এসব বিশেষ বিষয়ে বিশেষভাবে পারদর্শী ব্যক্তিদের মতামত প্রাসঙ্গিক। এদেরকেই বিষেষজ্ঞ সাক্ষী বলা হয়।

What is Judicial Review? How does it shape the Law and Society?

চিকিৎসক সাক্ষী (Medical Witness)

চিকিৎসক সাক্ষী বলতে সেই সাক্ষীকে বোঝায় যাদের চিকিৎসা সংক্রান্ত বিষয়ে বিশেষজ্ঞ জ্ঞান বা অভিজ্ঞতা রয়েছে। এই সাক্ষীরা তাদের চিকিৎসা সংক্রান্ত জ্ঞান বা অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে আদালতে সাক্ষ্য প্রদান করে।

প্রতিটি সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা এবং নির্ভরযোগ্যতা তাদের প্রকৃতি, চরিত্র, আচরণ, ধারাবাহিকতা এবং প্রমাণের উপর নির্ভর করে পরিবর্তিত হতে পারে। কোনও সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর আগে আদালতকে প্রতিটি সাক্ষীর সাক্ষ্যকে সাবধানে এবং ন্যায়সঙ্গতভাবে মূল্যায়ন করতে হয়।

    Leave a Comment

    আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

    শেয়ার করুনঃ
    আরো আর্টিকেল পড়ুন
    বাংলাদেশ-ভারত সমুদ্রসীমা বিরোধ (২০১৪): হেগের আদালতের রায় ও ভূ-রাজনৈতিক বিশ্লেষণ
    বাংলাদেশ-ভারত সমুদ্রসীমা বিরোধ (২০১৪): হেগের আদালতের রায় ও ভূ-রাজনৈতিক বিশ্লেষণ

    মিয়ানমারের সাথে সমুদ্রসীমা জয়ের মাত্র দুই বছর পর, বাংলাদেশ দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত বাংলাদেশ-ভারত সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তিতে আরেকটি ঐতিহাসিক বিজয় অর্জন করে। ২০১৪ সালের ৭ জুলাই, নেদারল্যান্ডসের হেগ-এ অবস্থিত পার্মানেন্ট কোর্ট অব আর্বিটেশন (PCA) এই রায় ঘোষণা করে।

    মধ্যপ্রাচ্য সংকট
    মধ্যপ্রাচ্য সংকট ও হরমুজ প্রণালীর নিয়ন্ত্রণ: এক নতুন স্নায়ুযুদ্ধের সূচনা?

    পশ্চিমা মিডিয়ার শেখানো বুলি ভুলে গিয়ে একবার মানচিত্রের দিকে তাকান। মধ্যপ্রাচ্যের এই অন্তহীন রক্তপাতের আড়ালে আসলে চলছে বিশ্বের ২০ শতাংশ তেলের লাইফলাইন—’হরমুজ প্রণালী’ নিয়ন্ত্রণের এক নোংরা স্নায়ুযুদ্ধ।

    করফু চ্যানেল মামলা (১৯৪৯): আন্তর্জাতিক আদালতের প্রথম রায় ও ঐতিহাসিক আইনি বিশ্লেষণ
    করফু চ্যানেল মামলা (১৯৪৯)ঃ আন্তর্জাতিক আদালতের প্রথম রায় ও ঐতিহাসিক আইনি বিশ্লেষণ

    করফু চ্যানেল মামলা (১৯৪৯)-এর ঘটনা, আইনি ইস্যু এবং ICJ-এর ঐতিহাসিক রায় সম্পর্কে জানুন। ইনোসেন্ট প্যাসেজ ও রাষ্ট্রীয় দায়বদ্ধতা প্রতিষ্ঠায় এর গুরুত্ব অপরিসীম।

    বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যকার সমুদ্রসীমা বিরোধ (২০১২)ঃ আন্তর্জাতিক আদালতের ঐতিহাসিক রায় ও আইনি বিশ্লেষণ
    বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যকার সমুদ্রসীমা বিরোধ (২০১২)ঃ আন্তর্জাতিক আদালতের ঐতিহাসিক রায় ও আইনি বিশ্লেষণ

    দীর্ঘ চার দশকের জট এবং কূটনৈতিক টানাপোড়েনের পর, জার্মানির হামবুর্গে অবস্থিত ইন্টারন্যাশনাল ট্রাইব্যুনাল ফর দ্য ল অফ দ্য সি (ITLOS)-এর ঐতিহাসিক রায়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যকার সমুদ্রসীমা বিরোধ-এর শান্তিপূর্ণ সমাপ্তি ঘটে।

    সমুদ্র আইনঃ আন্তর্জাতিক সমুদ্র আইনের সংজ্ঞা ও ভূ-রাজনীতিতে এর গুরুত্ব, law of the sea
    সমুদ্র আইনঃ আন্তর্জাতিক সমুদ্র আইনের সংজ্ঞা ও ভূ-রাজনীতিতে এর গুরুত্ব

    সমুদ্র আইন হলো আন্তর্জাতিক নিয়ম-কানুন, চুক্তি এবং প্রথার সমষ্টি, যা বিশ্বের সাগর ও মহাসাগরগুলোর ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করে। এটি কোনো একক দেশের আইন নয়, বরং জাতিসংঘের মাধ্যমে স্বীকৃত একটি আন্তর্জাতিক আইনি কাঠামো।

    ৭১১ খ্রিস্টাব্দের বসন্তকালে (রজব মাস, ৯২ হিজরি) তারিক বিন জিয়াদ প্রায় ৭,০০০ বারবার সৈন্যের একটি বাহিনী নিয়ে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দেন।
    তারিক বিন জিয়াদঃ স্পেন বিজয়ী মুসলিম সেনাপতির জীবনী

    তারিক বিন জিয়াদ ছিলেন আন্দালুসিয়া বিজয়ের মহানায়ক। জানুন ৭১১ সালে তার স্পেন অভিযান, জাহাজ পোড়ানোর ঘটনা এবং গুয়াদালেতের যুদ্ধের রোমাঞ্চকর ইতিহাস।

    স্পেনে মুসলমানদের ইতিহাসঃ ইউরোপে ৮০০ বছরের গৌরবময় উপাখ্যান
    স্পেনে মুসলমানদের ইতিহাসঃ ইউরোপে ৮০০ বছরের গৌরবময় উপাখ্যান

    ইউরোপের ইতিহাসের পাতা ওল্টালে দেখা যায়, মধ্যযুগে যখন পুরো মহাদেশটি কুসংস্কার, অপরিচ্ছন্নতা আর অজ্ঞতার অন্ধকারে নিমজ্জিত ছিল, ঠিক তখনই আইবেরীয় উপদ্বীপ বা স্পেনের বুকে জ্বলে উঠেছিল এক অনন্য সভ্যতার মশাল। মুসলমানরা এই ভূখণ্ডের নাম দিয়েছিল ‘আল-আন্দালুস’।

    মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতি আজ যে উত্তেজনায় ভরা, তার কেন্দ্রবিন্দুতে আছে ফিলিস্তিনি সংকট এবং আব্রাহাম চুক্তি নামের এক পরিবর্তনশীল কূটনৈতিক প্যাকেজ।
    ফিলিস্তিনি সংকট ও আব্রাহাম চুক্তিঃ সমালোচনা, সুফল ও বাস্তবতা

    মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতি আজ যে উত্তেজনায় ভরা, তার কেন্দ্রবিন্দুতে আছে ফিলিস্তিনি সংকট এবং আব্রাহাম চুক্তি নামের এক পরিবর্তনশীল কূটনৈতিক প্যাকেজ।

    পি আর পদ্ধতি কী — ধরন, সুবিধা-অসুবিধা ও বাংলাদেশের নির্বাচনে প্রাসঙ্গিকতা (1)
    পি আর পদ্ধতি কী — ধরন, সুবিধা-অসুবিধা ও বাংলাদেশের নির্বাচনে প্রাসঙ্গিকতা

    পি আর পদ্ধতি হলো আনুপাতিক প্রতিনিধিত্বমূলক নির্বাচন ব্যবস্থা। পি আর পদ্ধতির ধরন, সুবিধা, অসুবিধা বিবেচনায় বাংলাদেশে পি আর পদ্ধতি প্রাসঙ্গিক কি না প্রশ্ন উঠেছে।

    বিশ্বের প্রথম লিখিত সংবিধানগুলোর অন্যতম মদিনা সনদ ইসলামি রাষ্ট্র, ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সামাজিক সম্প্রীতির অনন্য ঐতিহাসিক দলিল। 
    মদিনা সনদ কীঃ মদিনা সনদের প্রধান ধারা ও বিশ্ব ইতিহাসে এর গুরুত্ব বিশ্লেষণ

    বিশ্বের প্রথম লিখিত সংবিধানগুলোর অন্যতম মদিনা সনদ ইসলামি রাষ্ট্র, ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সামাজিক সম্প্রীতির অনন্য ঐতিহাসিক দলিল। 

    এই আর্টিকেলগুলিও আপনি পড়তে পারেন

    বাংলাদেশ-ভারত সমুদ্রসীমা বিরোধ (২০১৪): হেগের আদালতের রায় ও ভূ-রাজনৈতিক বিশ্লেষণ

    বাংলাদেশ-ভারত সমুদ্রসীমা বিরোধ (২০১৪): হেগের আদালতের রায় ও ভূ-রাজনৈতিক বিশ্লেষণ

    মিয়ানমারের সাথে সমুদ্রসীমা জয়ের মাত্র দুই বছর পর, বাংলাদেশ দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত বাংলাদেশ-ভারত সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তিতে আরেকটি ঐতিহাসিক বিজয় অর্জন করে। ২০১৪ সালের ৭ জুলাই, নেদারল্যান্ডসের হেগ-এ অবস্থিত পার্মানেন্ট কোর্ট অব আর্বিটেশন (PCA) এই রায় ঘোষণা করে।

    মধ্যপ্রাচ্য সংকট

    মধ্যপ্রাচ্য সংকট ও হরমুজ প্রণালীর নিয়ন্ত্রণ: এক নতুন স্নায়ুযুদ্ধের সূচনা?

    পশ্চিমা মিডিয়ার শেখানো বুলি ভুলে গিয়ে একবার মানচিত্রের দিকে তাকান। মধ্যপ্রাচ্যের এই অন্তহীন রক্তপাতের আড়ালে আসলে চলছে বিশ্বের ২০ শতাংশ তেলের লাইফলাইন—’হরমুজ প্রণালী’ নিয়ন্ত্রণের এক নোংরা স্নায়ুযুদ্ধ।

    করফু চ্যানেল মামলা (১৯৪৯): আন্তর্জাতিক আদালতের প্রথম রায় ও ঐতিহাসিক আইনি বিশ্লেষণ

    করফু চ্যানেল মামলা (১৯৪৯)ঃ আন্তর্জাতিক আদালতের প্রথম রায় ও ঐতিহাসিক আইনি বিশ্লেষণ

    করফু চ্যানেল মামলা (১৯৪৯)-এর ঘটনা, আইনি ইস্যু এবং ICJ-এর ঐতিহাসিক রায় সম্পর্কে জানুন। ইনোসেন্ট প্যাসেজ ও রাষ্ট্রীয় দায়বদ্ধতা প্রতিষ্ঠায় এর গুরুত্ব অপরিসীম।

    নিয়মিত আর্টিকেল পেতে

    সাবস্ক্রাইব করুন

    Scroll to Top