মেরুনপেপার — Header

রেস সাব জুডিস কি? রেস সাব জুডিস ও রেস জুডিকাটার মধ্যে পার্থক্য কি?

রেস সাব জুডিস নীতির হলো একই বিষয়ে অন্যত্র বিচারাধীন একাধিক মামলা।
রেস সাব জুডিস কি?

রেস সাব জুডিস নীতিটি আদালতের মোকাদ্দমা সংক্রান্ত একটি নীতি। নীতিটি এসেছে রোমান আইনের সুপরিচিত নীতি lis alibi pendens (dispute elsewhere pending)বা ‘একই বিষয়ে অন্যত্র বিচারাধীন একাধিক মামলা’ নীতি থেকে। রেস সাব জুডিস নীতির উদ্দেশ্যে হলো কোন মোকদ্দমার পক্ষগণ যাতে একই বিষয়ে একাধিক মোকাদ্দমায় জড়িয়ে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, বিচারে জটিলতা সৃষ্টি না হয় তা নিশ্চিত করা।

রেস সাব জুডিস কি?

রেস সাব জুডিস শব্দটি দুটি ল্যাটিন শব্দযোগে গঠিত। রেস Res অর্থ ‘বিষয়’ এবং সাব জুডিস Sub-Judice অর্থ ‘বিচারাধীন’ অর্থ্যাৎ, আদালতে বিচারাধীন কোন বিষয়। এই নীতিটির মূল কথা হলো, একই পক্ষসমূহের মধ্যে, একই বিচার্য বিষয়ে, একই এখতিয়ার সম্পন্ন আদালতে একাধিক মোকাদ্দমা বিচারাধীন থাকতে পারে না। এই নীতির প্রয়োগ ঘটিয়ে পরবর্তিতে দায়েরকৃত মোকাদ্দমাটি স্থগিত (Stay of Suit) করা হবে। তবে, আদালত চাইলে ন্যায়বিচারের স্বার্থে রেস সাব জুডিসের নীতি প্রয়োগ করা ছাড়াও দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫১ ধারার অধীন কোন মোকদ্দমা স্থগিত করতে পারে।

ডিক্রি কাকে বলে, রেস সাব জুডিস, Judge Signing on the Papers

দেওয়ানী কার্যবিধির ১০ ধারার কোথাও রেস সাব জুডিস শব্দগুচ্ছটি ব্যবহার করা না হলেও এখানে বরং Stay of Suit শব্দগুচ্ছ ব্যবহার করে মোকাদ্দমাটি স্থগিত করার কথা বলা হয়েছে। দেওয়ানী কার্যবিধির ১৯০৮ এর ১০ ধারা অনুযায়ী, দাবীকৃত প্রতিকার প্রদানের এখতিয়ার সম্পন্ন বাংলাদেশের যেকোন আদালতে বা সুপ্রিম কোর্টে একই পক্ষসমূহের মধ্যে বা তাদের প্রতিনিধিদের মধ্যে একই বিচার্য বিষয়ে কোন মোকাদ্দমা বিচারাধীন থাকলে পরবর্তিতে দায়েরকৃত মোকাদ্দমাটি আদালত বিচার না করে স্থগিত করবেন। তবে পূর্ববর্তি মোকদ্দমাটি বিদেশী আদালতে দায়েরকৃত হলে বাংলাদেশের কোন আদালতে পরবর্তিতে দায়েরকৃত মোকদ্দমার ক্ষেত্রে রেস সাব জুডিস নীতিটি প্রযোজ্য হবেনা।

রেস সাব জুডিস নীতির উদ্দেশ্য কি?

পক্ষগণ যাতে একই বিষয়ে একাধিক মোকাদ্দমায় জড়িয়ে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, বিচারে জটিলতা সৃষ্টি না হয় সে উদ্দেশ্যেই রেস সাব জুডিস নীতিটি প্রয়োগ করা হয়। রেস সাবজুডিস নীতির উদ্দেশ্যগুলো নিম্নরূপঃ

  • মামলার বহুত্ব নিবারণ করা রেস সাব জুডিস নীতির প্রধান উদ্দেশ্য। সিদ্দিক মিয়া বনাম ইদ্রিস ৬০ ডিএল আর ২০০৮ ২০ মামলায় আদালত বলা হয়েছে, মোকাদ্দমার কার্যক্রমের বহুত্ব নিবারণ করা এবং বিরোধপূর্ণ সিদ্ধান্ত এড়ানোই দেওয়ানী কার্যবিধির ১০ ধারার উদ্দেশ্য। একাধিক মোকাদ্দমা থেকে বাদীকে বিরত না রাখলে বা একই বিষয়ে একাধিক মোকাদ্দমা থাকলে ন্যায় বিচারের উদ্দেশ্য ব্যর্থ হবে।
  • বিরোধপূর্ণ সিদ্ধান্ত এড়ানো রেস সাব জুডিস নীতির অন্যতম একটি উদ্দেশ্য। একই বিষয়ে পরস্পর বিরোধীন সিদ্ধান্ত থেকে আদালতকে বিরত রাখার উদ্দেশ্যে এই নীতির প্রয়োগ করা হয়। 
  • একই বিষয়ে একাধিক মোকদ্দমা বিচারাধীন থাকার ফলে সৃষ্ট হয়রানি বা অসুবিধা থেকে পক্ষসমূহকে মুক্ত করা রেস সাব জুডিস নীতির উদ্দেশ্য।
  • আদালতের সময়ের উপযুক্ত ব্যবহার নিশ্চিত করা রেস সাব জুডিস নীতির গুরুত্বপূর্ন একটি উদ্দেশ্য। একাধিক বিষয়ে একাধিক মোকদ্দমা চলমান থাকলে বিচারিক জটিলতা সৃষ্টি হবে। আদালতের গুরুত্বপূর্ণ সময় বিনষ্ট হবে এবং ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা বাঁধাগ্রস্ত হবে। তাই রেস সাব জুডিস আদালতের সময়ের উপযুক্ত ব্যবহার নিশ্চিত করাকে গুরুত্ব দেয়।

রেস জুডিকাটা বা বিচারকৃত সিদ্ধান্ত নীতি (Res Judicata) কি? রেস জুডিকাটার শর্তাবলী ও কনস্ট্রাকটিভ রেস জুডিকাটা

কখন রেস সাব জুডিস নীতি প্রয়োগ করা যাবে?

রেস সাব জুডিস নীতি অনুযায়ী, একই বিচার্য বিষয়ে একাধিক মামলা আদালতে বিচারাধীন থাকতে পারেনা। দেওয়ানী কার্যবিধির ১০ ধারায় অনুসৃত নীতি অনুযায়ী পরবর্তিতে দায়েরকৃত মামলাটি স্থগিত করতে হবে। কখন দেওয়ানী কার্যবিধির ১০ ধারার রেস সাব জুডিস নীতি প্রয়োগ করা যাবে তা কতগুলো শর্তের ওপর নির্ভর করে। নিচে রেস সাব জুডিস নীতি প্রয়োগের শর্তাবলি আলোচনা করা হলোঃ

  • দুটি মামলা থাকতে হবে; পূর্বে দায়েরকৃত বিচারাধীন এবং পরবর্তিতে দায়েরকৃত মামলা। পূর্বে দায়েরকৃত মামলাটি বাংলাদেশের যেকোন আদালতে, সুপ্রিমকোর্টে বিচারাধীন থাকতে হবে।
  • উভয় মামলার বিষয়বস্তু প্রত্যক্ষ এবং মৌলিকভাবে একই হতে হবে।
  • উভয় মামলার পক্ষসমূহ একই হবে এবং একই স্বত্বের অধীন হতে হবে।
  • পূর্বে দায়েরকৃত মামলাটির প্রতিকার দেয়ার এখতিয়ারাধীন আদালতে বিচারাধীন থাকতে হবে। এখতিয়ার বিহীন আদালতে পূর্ববর্তি মামলা বিচারাধীন থাকলেও পরবর্তিতে দায়েরকৃত মামলায় রেস সাব জুডিস নীতি প্রযোজ্য হবেনা। (মিনোসের বনাম হেমা, এআইআর, ১৯৮২ বোম্বে ১৫১)

রেস সাব জুডিস ও রেস জুডিকাটার মধ্যে পার্থক্য

রেস সাবজুডিস ও রেস জুডিকাটার মধ্যে পার্থক্য নিচে আলোচনা করা হলোঃ

পার্থক্যের ভিত্তিরেস সাব জুডিসরেস জুডিকাটা
সংজ্ঞাপ্রার্থিত প্রতিকার দেয়ার এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে একই বিচার্য বিষয়ে একই পক্ষসমূহের মধ্যে কোন মামলা বিচারাধীন থাকলে, পরবর্তিতে দায়েরকৃত মামলা স্থগিত করার যে নীতি আদালত অনুসরণ করে তাই রেস সাব জুডিস।যখন কোন একটি তর্কিত বিষয়ে কোন আদালত চুড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি করে, তখন ওই নিষ্পত্তিকৃত বিষয়ে পরবর্তিতে নতুন কোন মামলা দায়ের নিষিদ্ধ করার যে নীতি আদালত অনুসরণ করে তাই রেস জুডিকাটা
ধারাদেওয়ানী কার্যবিধির ১০ ধারাদেওয়ানী কার্যবিধির ১১ ধারা।
একত্রে শুনানিআদালত পূর্ববর্তি ও পরবর্তি মামলা একত্রে শুনানি করার আদেশ দিতে পারে।আদালত পূর্ববর্তি ও পরবর্তি মামলা একত্রে শুনানি করার সুযোগ নেই।
প্রযোজ্যতাপক্ষদ্বয়ের মধ্যে বিচারাধীন সমান্তরাল মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।চুড়ান্তভাবে নিষ্পত্তিকৃত মোকদ্দমার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
বাংলাদেশ ভিন্ন আদালতের প্রযোজ্যতাবিদেশি আদালতের রায়ের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে না।বিদেশি আদালতের রায়ের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে।
সিদ্ধান্তপরবর্তি মোকদ্দমা খারিজ করেনা, মোকদ্দমার বিচার স্থগিত করে।পরবর্তি মোকদ্দমা দায়েরে বাধা দেয় বা মোকদ্দমা খারিজ করে।

    Leave a Comment

    আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

    শেয়ার করুনঃ
    আরো আর্টিকেল পড়ুন
    বাংলাদেশ-ভারত সমুদ্রসীমা বিরোধ (২০১৪): হেগের আদালতের রায় ও ভূ-রাজনৈতিক বিশ্লেষণ
    বাংলাদেশ-ভারত সমুদ্রসীমা বিরোধ (২০১৪): হেগের আদালতের রায় ও ভূ-রাজনৈতিক বিশ্লেষণ

    মিয়ানমারের সাথে সমুদ্রসীমা জয়ের মাত্র দুই বছর পর, বাংলাদেশ দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত বাংলাদেশ-ভারত সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তিতে আরেকটি ঐতিহাসিক বিজয় অর্জন করে। ২০১৪ সালের ৭ জুলাই, নেদারল্যান্ডসের হেগ-এ অবস্থিত পার্মানেন্ট কোর্ট অব আর্বিটেশন (PCA) এই রায় ঘোষণা করে।

    মধ্যপ্রাচ্য সংকট
    মধ্যপ্রাচ্য সংকট ও হরমুজ প্রণালীর নিয়ন্ত্রণ: এক নতুন স্নায়ুযুদ্ধের সূচনা?

    পশ্চিমা মিডিয়ার শেখানো বুলি ভুলে গিয়ে একবার মানচিত্রের দিকে তাকান। মধ্যপ্রাচ্যের এই অন্তহীন রক্তপাতের আড়ালে আসলে চলছে বিশ্বের ২০ শতাংশ তেলের লাইফলাইন—’হরমুজ প্রণালী’ নিয়ন্ত্রণের এক নোংরা স্নায়ুযুদ্ধ।

    করফু চ্যানেল মামলা (১৯৪৯): আন্তর্জাতিক আদালতের প্রথম রায় ও ঐতিহাসিক আইনি বিশ্লেষণ
    করফু চ্যানেল মামলা (১৯৪৯)ঃ আন্তর্জাতিক আদালতের প্রথম রায় ও ঐতিহাসিক আইনি বিশ্লেষণ

    করফু চ্যানেল মামলা (১৯৪৯)-এর ঘটনা, আইনি ইস্যু এবং ICJ-এর ঐতিহাসিক রায় সম্পর্কে জানুন। ইনোসেন্ট প্যাসেজ ও রাষ্ট্রীয় দায়বদ্ধতা প্রতিষ্ঠায় এর গুরুত্ব অপরিসীম।

    বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যকার সমুদ্রসীমা বিরোধ (২০১২)ঃ আন্তর্জাতিক আদালতের ঐতিহাসিক রায় ও আইনি বিশ্লেষণ
    বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যকার সমুদ্রসীমা বিরোধ (২০১২)ঃ আন্তর্জাতিক আদালতের ঐতিহাসিক রায় ও আইনি বিশ্লেষণ

    দীর্ঘ চার দশকের জট এবং কূটনৈতিক টানাপোড়েনের পর, জার্মানির হামবুর্গে অবস্থিত ইন্টারন্যাশনাল ট্রাইব্যুনাল ফর দ্য ল অফ দ্য সি (ITLOS)-এর ঐতিহাসিক রায়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যকার সমুদ্রসীমা বিরোধ-এর শান্তিপূর্ণ সমাপ্তি ঘটে।

    সমুদ্র আইনঃ আন্তর্জাতিক সমুদ্র আইনের সংজ্ঞা ও ভূ-রাজনীতিতে এর গুরুত্ব, law of the sea
    সমুদ্র আইনঃ আন্তর্জাতিক সমুদ্র আইনের সংজ্ঞা ও ভূ-রাজনীতিতে এর গুরুত্ব

    সমুদ্র আইন হলো আন্তর্জাতিক নিয়ম-কানুন, চুক্তি এবং প্রথার সমষ্টি, যা বিশ্বের সাগর ও মহাসাগরগুলোর ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করে। এটি কোনো একক দেশের আইন নয়, বরং জাতিসংঘের মাধ্যমে স্বীকৃত একটি আন্তর্জাতিক আইনি কাঠামো।

    ৭১১ খ্রিস্টাব্দের বসন্তকালে (রজব মাস, ৯২ হিজরি) তারিক বিন জিয়াদ প্রায় ৭,০০০ বারবার সৈন্যের একটি বাহিনী নিয়ে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দেন।
    তারিক বিন জিয়াদঃ স্পেন বিজয়ী মুসলিম সেনাপতির জীবনী

    তারিক বিন জিয়াদ ছিলেন আন্দালুসিয়া বিজয়ের মহানায়ক। জানুন ৭১১ সালে তার স্পেন অভিযান, জাহাজ পোড়ানোর ঘটনা এবং গুয়াদালেতের যুদ্ধের রোমাঞ্চকর ইতিহাস।

    স্পেনে মুসলমানদের ইতিহাসঃ ইউরোপে ৮০০ বছরের গৌরবময় উপাখ্যান
    স্পেনে মুসলমানদের ইতিহাসঃ ইউরোপে ৮০০ বছরের গৌরবময় উপাখ্যান

    ইউরোপের ইতিহাসের পাতা ওল্টালে দেখা যায়, মধ্যযুগে যখন পুরো মহাদেশটি কুসংস্কার, অপরিচ্ছন্নতা আর অজ্ঞতার অন্ধকারে নিমজ্জিত ছিল, ঠিক তখনই আইবেরীয় উপদ্বীপ বা স্পেনের বুকে জ্বলে উঠেছিল এক অনন্য সভ্যতার মশাল। মুসলমানরা এই ভূখণ্ডের নাম দিয়েছিল ‘আল-আন্দালুস’।

    মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতি আজ যে উত্তেজনায় ভরা, তার কেন্দ্রবিন্দুতে আছে ফিলিস্তিনি সংকট এবং আব্রাহাম চুক্তি নামের এক পরিবর্তনশীল কূটনৈতিক প্যাকেজ।
    ফিলিস্তিনি সংকট ও আব্রাহাম চুক্তিঃ সমালোচনা, সুফল ও বাস্তবতা

    মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতি আজ যে উত্তেজনায় ভরা, তার কেন্দ্রবিন্দুতে আছে ফিলিস্তিনি সংকট এবং আব্রাহাম চুক্তি নামের এক পরিবর্তনশীল কূটনৈতিক প্যাকেজ।

    পি আর পদ্ধতি কী — ধরন, সুবিধা-অসুবিধা ও বাংলাদেশের নির্বাচনে প্রাসঙ্গিকতা (1)
    পি আর পদ্ধতি কী — ধরন, সুবিধা-অসুবিধা ও বাংলাদেশের নির্বাচনে প্রাসঙ্গিকতা

    পি আর পদ্ধতি হলো আনুপাতিক প্রতিনিধিত্বমূলক নির্বাচন ব্যবস্থা। পি আর পদ্ধতির ধরন, সুবিধা, অসুবিধা বিবেচনায় বাংলাদেশে পি আর পদ্ধতি প্রাসঙ্গিক কি না প্রশ্ন উঠেছে।

    বিশ্বের প্রথম লিখিত সংবিধানগুলোর অন্যতম মদিনা সনদ ইসলামি রাষ্ট্র, ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সামাজিক সম্প্রীতির অনন্য ঐতিহাসিক দলিল। 
    মদিনা সনদ কীঃ মদিনা সনদের প্রধান ধারা ও বিশ্ব ইতিহাসে এর গুরুত্ব বিশ্লেষণ

    বিশ্বের প্রথম লিখিত সংবিধানগুলোর অন্যতম মদিনা সনদ ইসলামি রাষ্ট্র, ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সামাজিক সম্প্রীতির অনন্য ঐতিহাসিক দলিল। 

    এই আর্টিকেলগুলিও আপনি পড়তে পারেন

    বাংলাদেশ-ভারত সমুদ্রসীমা বিরোধ (২০১৪): হেগের আদালতের রায় ও ভূ-রাজনৈতিক বিশ্লেষণ

    বাংলাদেশ-ভারত সমুদ্রসীমা বিরোধ (২০১৪): হেগের আদালতের রায় ও ভূ-রাজনৈতিক বিশ্লেষণ

    মিয়ানমারের সাথে সমুদ্রসীমা জয়ের মাত্র দুই বছর পর, বাংলাদেশ দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত বাংলাদেশ-ভারত সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তিতে আরেকটি ঐতিহাসিক বিজয় অর্জন করে। ২০১৪ সালের ৭ জুলাই, নেদারল্যান্ডসের হেগ-এ অবস্থিত পার্মানেন্ট কোর্ট অব আর্বিটেশন (PCA) এই রায় ঘোষণা করে।

    মধ্যপ্রাচ্য সংকট

    মধ্যপ্রাচ্য সংকট ও হরমুজ প্রণালীর নিয়ন্ত্রণ: এক নতুন স্নায়ুযুদ্ধের সূচনা?

    পশ্চিমা মিডিয়ার শেখানো বুলি ভুলে গিয়ে একবার মানচিত্রের দিকে তাকান। মধ্যপ্রাচ্যের এই অন্তহীন রক্তপাতের আড়ালে আসলে চলছে বিশ্বের ২০ শতাংশ তেলের লাইফলাইন—’হরমুজ প্রণালী’ নিয়ন্ত্রণের এক নোংরা স্নায়ুযুদ্ধ।

    করফু চ্যানেল মামলা (১৯৪৯): আন্তর্জাতিক আদালতের প্রথম রায় ও ঐতিহাসিক আইনি বিশ্লেষণ

    করফু চ্যানেল মামলা (১৯৪৯)ঃ আন্তর্জাতিক আদালতের প্রথম রায় ও ঐতিহাসিক আইনি বিশ্লেষণ

    করফু চ্যানেল মামলা (১৯৪৯)-এর ঘটনা, আইনি ইস্যু এবং ICJ-এর ঐতিহাসিক রায় সম্পর্কে জানুন। ইনোসেন্ট প্যাসেজ ও রাষ্ট্রীয় দায়বদ্ধতা প্রতিষ্ঠায় এর গুরুত্ব অপরিসীম।

    নিয়মিত আর্টিকেল পেতে

    সাবস্ক্রাইব করুন

    Scroll to Top