মেরুনপেপার — Header

অপারেশন বুনিয়ান-উন-মারসুসঃ ভারতে পাকিস্তানের পাল্টা হামলা

পাকিস্তান ভারতের বিরুদ্ধে "অপারেশন বুনিয়ান-উন-মারসুস" নামে ব্যাপক পাল্টা হামলা শুরু করে। এই অভিযানের নামটির অর্থ "গলিত সীসায় নির্মিত অভেদ্য প্রাচীর"।
আজ ১০ মে, পাকিস্তান সেনাবাহিনী ভারতের বিরুদ্ধে "অপারেশন বুনিয়ান-উন-মারসুস" নামে ব্যাপক পাল্টা হামলা শুরু করে। এই অভিযানের নামটি কোরআনের সূরা আস-সাফের ৪ নম্বর আয়াত থেকে নেওয়া হয়েছে, যার অর্থ "গলিত সীসায় নির্মিত অভেদ্য প্রাচীর"। গত ৬ মে’র ভারতের "অপারেশন সিঁদুর"-এর জবাবে পাকিস্তান এই পাল্টা হামলা চালিয়েছে। যদিও এখন পর্যন্ত ক্ষয়ক্ষতির পরিমান ভারত প্রকাশ করেনি, পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর দাবি, এই অভিযানে জম্মু-কাশ্মীর, পাঞ্জাব, ও রাজস্থানের একাধিক সামরিক টার্গেটে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে, যার মধ্যে ব্রাহ্মোস মিসাইল ডিপো এবং এস-৪০০ এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম অন্তর্ভুক্ত।

আজ ১০ মে, পাকিস্তান সেনাবাহিনী ভারতের বিরুদ্ধে “অপারেশন বুনিয়ান-উন-মারসুস” নামে ব্যাপক পাল্টা হামলা শুরু করে। এই অভিযানের নামটি কোরআনের সূরা আস-সাফের ৪ নম্বর আয়াত থেকে নেওয়া হয়েছে, যার অর্থ “গলিত সীসায় নির্মিত অভেদ্য প্রাচীর”। গত ৬ মে’র ভারতের “অপারেশন সিঁদুর”-এর জবাবে পাকিস্তান এই পাল্টা হামলা চালিয়েছে। যদিও এখন পর্যন্ত ক্ষয়ক্ষতির পরিমান ভারত প্রকাশ করেনি, পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর দাবি, এই অভিযানে জম্মু-কাশ্মীর, পাঞ্জাব, ও রাজস্থানের একাধিক সামরিক টার্গেটে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে, যার মধ্যে ব্রাহ্মোস মিসাইল ডিপো এবং এস-৪০০ এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম অন্তর্ভুক্ত।

কোথা থেকে এলো অপারেশন বুনিয়ান-উন-মারসুস?

বুনিয়ান-উন-মারসুস (بنيان مرصوص) শব্দগুচ্ছের উৎপত্তি কোরআনের সূরা ৬১ (আস-সাফ), আয়াত ৪-এ থেকে নেওয়া হয়েছে।। এই আয়াতে বলা হয়েছে, আল্লাহ্ তাদের প্রতি সন্তুষ্ট হন যারা তাঁর পথে “একটি সুসংহত প্রাচীরের মতো” লড়াই করে। পাকিস্তান সামরিক বাহিনীর জনসংযোগ শাখা (আইএসপিআর) জানিয়েছে, এই নামকরণের মাধ্যমে তারা তাদের সৈন্যদের ঐক্যবদ্ধ শক্তি ও অটল মনোবল-এর প্রতীক তুলে ধরতে চেয়েছে।

গত ২০২৫ সালের ২২ এপ্রিল পেহেলগামে সন্ত্রাসী হামলার পর ভারত গত ৬ মে অপারেশন সিঁদুর” চালায়, যেখানে পাকিস্তানের অভ্যন্তরে ৯টি স্থাপনায় হামলা করে ভারত। যদিও সেই হামলার জবাবে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় ভারতের ৫ টি যুদ্ধবিমান ধ্বংস করে এবং কয়েকজন সৈন্যকে গ্রেফতার করে ভারত। পাকিস্তান এটিকে “সার্বভৌমত্বে হস্তক্ষেপ” বলে অভিহিত করে ভারতের অপারেশন সিঁদুর”-এর জবাবেই ইসলামাবাদ অপারেশন বুনিয়ান-উন-মারসুস শুরু করেছে।

শেষপর্যন্ত কাশ্মীরের পেহেলগাম সন্ত্রাসী হামলাই কি ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ বাঁধাবে?

অপারেশন বুনিয়ান-উন-মারসুসের কৌশলগত লক্ষ্যবস্তুসমূহ এবং ক্ষয়ক্ষতি

পাকিস্তানের সরকারি সংবাদমাধ্যম পিটিভিকে উল্লেখ করে পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম ডন এই হামলার একটি তালিকা তৈরি করেছে। সূত্র অনুযায়ী, পাকিস্তান এই অভিযানে সাইবার যুদ্ধ, বায়ুহামলা ও ভূমি আক্রমণ-এর সমন্বয় ঘটিয়েছে। উল্লেখযোগ্য টার্গেটগুলোর মধ্যে রয়েছে:

  • ভারতের বিদ্যুৎ গ্রিডের ৭০% ধ্বংস: ১০ মে ভোররাতে পাকিস্তান সাইবার কমান্ডোরা উত্তরভারতের পাওয়ার সিস্টেমে হামলা চালায়, যার ফলে দিল্লি-সহ ৮টি রাজ্যে বিদ্যুৎ বিপর্যয় নেমে আসে।
  • এস৪০০ মিসাইল প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস: আদমপুর এয়ার বেসে রাশিয়ায় নির্মিত এই অত্যাধুনিক ব্যবস্থা পাকিস্তানের জেএফ-১৭ থান্ডার থেকে নিক্ষিপ্ত স্থানীয় প্রযুক্তিতে তৈরি ১২০ কিমি পাল্লার ফাতাহ-১ ক্ষেপণাস্ত্রে ধ্বংস হয়।
  • রাজৌরি সামরিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র: ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা র এর একটি সেন্টারে ড্রোন হামলা চালানো হয়, যেখানে ১৫ জন কর্মকর্তা নিহত হন।

জম্মু-কাশ্মীরের রাজৌরি, উধমপুর ও পাঠানকোট-এ সর্বাধিক গোলাবর্ষণ হয়েছে। পাকিস্তানের দাবি অনুযায়ী, ভারতের ব্রিগেড সদর দপ্তর, আর্টিলারি ব্যাটারি, এবং সেনা রসদ ডিপো ধ্বংস হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসনের তথ্যমতে, এখন পর্যন্ত ১৪ জন বেসামরিক নাগরিকসহ ৩২ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। শুধু রাজৌরিতেই একটি সরকারি অফিসে সরাসরি আঘাত হানায় ৩ কর্মকর্তা নিহত হন। ধর্মীয় স্থাপনার মধ্যে জম্মুর শম্ভু মন্দিরও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যা দ্বিপাক্ষিক উত্তেজনা আরও বাড়িয়েছে। তবে ভারতের আনন্দবাজার পত্রিকা পাকিস্তানের হামলার এসব তথ্যকে ‘ভুয়ো’ বলে দাবি করেছে।

আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া ও পারমানবিক যুদ্ধের আশংকা

যদিও জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ এখনও জরুরী অধিবেশন ডাকেনি, কিন্তু মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিনকেন দুই দেশকে “সর্বোচ্চ সহনশীলতা” দেখানোর আহ্বান জানিয়েছেন। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, ১৯৯৯ সালের কার্গিল যুদ্ধের পর এই প্রথম উভয় পক্ষ পরমাণু অস্ত্র মোতায়েনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। ভারতের অগ্নি ও পাকিস্তানের শাহীন মিসাইল সিস্টেম সক্রিয় থাকায় গোটা দক্ষিণ এশিয়া অস্থিরতায় পড়েছে। সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, এই সংঘাত দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। কারণঃ
১. উভয় দেশই জাতীয় নির্বাচনের মুখোমুখি (ভারত ২০২৯, পাকিস্তান ২০২৭), ফলে সরকারগুলোর পক্ষে নমনীয়তা দেখানো কঠিন।
২. কাশ্মীরে ভারতের ধারা ৩৭০ প্রত্যাহার ও পাকিস্তানের জলবিদ্যুৎ প্রকল্প বিতর্ক নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
৩. চীন-মধ্যেপ্রাচ্য কূটনৈতিক মধ্যস্থতা প্রত্যাখ্যান করায় সংঘাত নিরসনের উপায় সীমিত।

এই সংঘাতের গতিপথ এখন পুরোপুরি নির্ভর করছে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের হস্তক্ষেপ ও দুই দেশের নীতিনির্ধারকদের রাজনৈতিক সদিচ্ছার উপর। তবে বর্তমান প্রবণতা বলছে, দক্ষিণ এশিয়ায় একটি দীর্ঘমেয়াদি অস্থিতিশীলতার যুগ শুরু হতে যাচ্ছে।

    Leave a Comment

    আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

    শেয়ার করুনঃ
    আরো আর্টিকেল পড়ুন
    বাংলাদেশ-ভারত সমুদ্রসীমা বিরোধ (২০১৪): হেগের আদালতের রায় ও ভূ-রাজনৈতিক বিশ্লেষণ
    বাংলাদেশ-ভারত সমুদ্রসীমা বিরোধ (২০১৪): হেগের আদালতের রায় ও ভূ-রাজনৈতিক বিশ্লেষণ

    মিয়ানমারের সাথে সমুদ্রসীমা জয়ের মাত্র দুই বছর পর, বাংলাদেশ দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত বাংলাদেশ-ভারত সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তিতে আরেকটি ঐতিহাসিক বিজয় অর্জন করে। ২০১৪ সালের ৭ জুলাই, নেদারল্যান্ডসের হেগ-এ অবস্থিত পার্মানেন্ট কোর্ট অব আর্বিটেশন (PCA) এই রায় ঘোষণা করে।

    মধ্যপ্রাচ্য সংকট
    মধ্যপ্রাচ্য সংকট ও হরমুজ প্রণালীর নিয়ন্ত্রণ: এক নতুন স্নায়ুযুদ্ধের সূচনা?

    পশ্চিমা মিডিয়ার শেখানো বুলি ভুলে গিয়ে একবার মানচিত্রের দিকে তাকান। মধ্যপ্রাচ্যের এই অন্তহীন রক্তপাতের আড়ালে আসলে চলছে বিশ্বের ২০ শতাংশ তেলের লাইফলাইন—’হরমুজ প্রণালী’ নিয়ন্ত্রণের এক নোংরা স্নায়ুযুদ্ধ।

    করফু চ্যানেল মামলা (১৯৪৯): আন্তর্জাতিক আদালতের প্রথম রায় ও ঐতিহাসিক আইনি বিশ্লেষণ
    করফু চ্যানেল মামলা (১৯৪৯)ঃ আন্তর্জাতিক আদালতের প্রথম রায় ও ঐতিহাসিক আইনি বিশ্লেষণ

    করফু চ্যানেল মামলা (১৯৪৯)-এর ঘটনা, আইনি ইস্যু এবং ICJ-এর ঐতিহাসিক রায় সম্পর্কে জানুন। ইনোসেন্ট প্যাসেজ ও রাষ্ট্রীয় দায়বদ্ধতা প্রতিষ্ঠায় এর গুরুত্ব অপরিসীম।

    বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যকার সমুদ্রসীমা বিরোধ (২০১২)ঃ আন্তর্জাতিক আদালতের ঐতিহাসিক রায় ও আইনি বিশ্লেষণ
    বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যকার সমুদ্রসীমা বিরোধ (২০১২)ঃ আন্তর্জাতিক আদালতের ঐতিহাসিক রায় ও আইনি বিশ্লেষণ

    দীর্ঘ চার দশকের জট এবং কূটনৈতিক টানাপোড়েনের পর, জার্মানির হামবুর্গে অবস্থিত ইন্টারন্যাশনাল ট্রাইব্যুনাল ফর দ্য ল অফ দ্য সি (ITLOS)-এর ঐতিহাসিক রায়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যকার সমুদ্রসীমা বিরোধ-এর শান্তিপূর্ণ সমাপ্তি ঘটে।

    সমুদ্র আইনঃ আন্তর্জাতিক সমুদ্র আইনের সংজ্ঞা ও ভূ-রাজনীতিতে এর গুরুত্ব, law of the sea
    সমুদ্র আইনঃ আন্তর্জাতিক সমুদ্র আইনের সংজ্ঞা ও ভূ-রাজনীতিতে এর গুরুত্ব

    সমুদ্র আইন হলো আন্তর্জাতিক নিয়ম-কানুন, চুক্তি এবং প্রথার সমষ্টি, যা বিশ্বের সাগর ও মহাসাগরগুলোর ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করে। এটি কোনো একক দেশের আইন নয়, বরং জাতিসংঘের মাধ্যমে স্বীকৃত একটি আন্তর্জাতিক আইনি কাঠামো।

    ৭১১ খ্রিস্টাব্দের বসন্তকালে (রজব মাস, ৯২ হিজরি) তারিক বিন জিয়াদ প্রায় ৭,০০০ বারবার সৈন্যের একটি বাহিনী নিয়ে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দেন।
    তারিক বিন জিয়াদঃ স্পেন বিজয়ী মুসলিম সেনাপতির জীবনী

    তারিক বিন জিয়াদ ছিলেন আন্দালুসিয়া বিজয়ের মহানায়ক। জানুন ৭১১ সালে তার স্পেন অভিযান, জাহাজ পোড়ানোর ঘটনা এবং গুয়াদালেতের যুদ্ধের রোমাঞ্চকর ইতিহাস।

    স্পেনে মুসলমানদের ইতিহাসঃ ইউরোপে ৮০০ বছরের গৌরবময় উপাখ্যান
    স্পেনে মুসলমানদের ইতিহাসঃ ইউরোপে ৮০০ বছরের গৌরবময় উপাখ্যান

    ইউরোপের ইতিহাসের পাতা ওল্টালে দেখা যায়, মধ্যযুগে যখন পুরো মহাদেশটি কুসংস্কার, অপরিচ্ছন্নতা আর অজ্ঞতার অন্ধকারে নিমজ্জিত ছিল, ঠিক তখনই আইবেরীয় উপদ্বীপ বা স্পেনের বুকে জ্বলে উঠেছিল এক অনন্য সভ্যতার মশাল। মুসলমানরা এই ভূখণ্ডের নাম দিয়েছিল ‘আল-আন্দালুস’।

    মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতি আজ যে উত্তেজনায় ভরা, তার কেন্দ্রবিন্দুতে আছে ফিলিস্তিনি সংকট এবং আব্রাহাম চুক্তি নামের এক পরিবর্তনশীল কূটনৈতিক প্যাকেজ।
    ফিলিস্তিনি সংকট ও আব্রাহাম চুক্তিঃ সমালোচনা, সুফল ও বাস্তবতা

    মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতি আজ যে উত্তেজনায় ভরা, তার কেন্দ্রবিন্দুতে আছে ফিলিস্তিনি সংকট এবং আব্রাহাম চুক্তি নামের এক পরিবর্তনশীল কূটনৈতিক প্যাকেজ।

    পি আর পদ্ধতি কী — ধরন, সুবিধা-অসুবিধা ও বাংলাদেশের নির্বাচনে প্রাসঙ্গিকতা (1)
    পি আর পদ্ধতি কী — ধরন, সুবিধা-অসুবিধা ও বাংলাদেশের নির্বাচনে প্রাসঙ্গিকতা

    পি আর পদ্ধতি হলো আনুপাতিক প্রতিনিধিত্বমূলক নির্বাচন ব্যবস্থা। পি আর পদ্ধতির ধরন, সুবিধা, অসুবিধা বিবেচনায় বাংলাদেশে পি আর পদ্ধতি প্রাসঙ্গিক কি না প্রশ্ন উঠেছে।

    বিশ্বের প্রথম লিখিত সংবিধানগুলোর অন্যতম মদিনা সনদ ইসলামি রাষ্ট্র, ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সামাজিক সম্প্রীতির অনন্য ঐতিহাসিক দলিল। 
    মদিনা সনদ কীঃ মদিনা সনদের প্রধান ধারা ও বিশ্ব ইতিহাসে এর গুরুত্ব বিশ্লেষণ

    বিশ্বের প্রথম লিখিত সংবিধানগুলোর অন্যতম মদিনা সনদ ইসলামি রাষ্ট্র, ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সামাজিক সম্প্রীতির অনন্য ঐতিহাসিক দলিল। 

    এই আর্টিকেলগুলিও আপনি পড়তে পারেন

    বাংলাদেশ-ভারত সমুদ্রসীমা বিরোধ (২০১৪): হেগের আদালতের রায় ও ভূ-রাজনৈতিক বিশ্লেষণ

    বাংলাদেশ-ভারত সমুদ্রসীমা বিরোধ (২০১৪): হেগের আদালতের রায় ও ভূ-রাজনৈতিক বিশ্লেষণ

    মিয়ানমারের সাথে সমুদ্রসীমা জয়ের মাত্র দুই বছর পর, বাংলাদেশ দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত বাংলাদেশ-ভারত সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তিতে আরেকটি ঐতিহাসিক বিজয় অর্জন করে। ২০১৪ সালের ৭ জুলাই, নেদারল্যান্ডসের হেগ-এ অবস্থিত পার্মানেন্ট কোর্ট অব আর্বিটেশন (PCA) এই রায় ঘোষণা করে।

    মধ্যপ্রাচ্য সংকট

    মধ্যপ্রাচ্য সংকট ও হরমুজ প্রণালীর নিয়ন্ত্রণ: এক নতুন স্নায়ুযুদ্ধের সূচনা?

    পশ্চিমা মিডিয়ার শেখানো বুলি ভুলে গিয়ে একবার মানচিত্রের দিকে তাকান। মধ্যপ্রাচ্যের এই অন্তহীন রক্তপাতের আড়ালে আসলে চলছে বিশ্বের ২০ শতাংশ তেলের লাইফলাইন—’হরমুজ প্রণালী’ নিয়ন্ত্রণের এক নোংরা স্নায়ুযুদ্ধ।

    করফু চ্যানেল মামলা (১৯৪৯): আন্তর্জাতিক আদালতের প্রথম রায় ও ঐতিহাসিক আইনি বিশ্লেষণ

    করফু চ্যানেল মামলা (১৯৪৯)ঃ আন্তর্জাতিক আদালতের প্রথম রায় ও ঐতিহাসিক আইনি বিশ্লেষণ

    করফু চ্যানেল মামলা (১৯৪৯)-এর ঘটনা, আইনি ইস্যু এবং ICJ-এর ঐতিহাসিক রায় সম্পর্কে জানুন। ইনোসেন্ট প্যাসেজ ও রাষ্ট্রীয় দায়বদ্ধতা প্রতিষ্ঠায় এর গুরুত্ব অপরিসীম।

    নিয়মিত আর্টিকেল পেতে

    সাবস্ক্রাইব করুন

    Scroll to Top