গৌড়ের সুলতানি ও মুঘল স্থাপত্য নির্মান কৌশল
ছোট সোনা মসজিদ, খনিয়া দীঘি ও মসজিদ, দারাসবাড়ি মাদ্রাসা ও মসজিদ, তাহাখানা কমপ্লেক্স উল্লেখযোগ্য। এই স্থাপত্যগুলো নির্মিত হয়েছিল মূলত দেশীয় ও দিল্লির রাজকীয় স্থাপত্যরীতির এক অপুর্ব সংমিশ্রণে।
ছোট সোনা মসজিদ, খনিয়া দীঘি ও মসজিদ, দারাসবাড়ি মাদ্রাসা ও মসজিদ, তাহাখানা কমপ্লেক্স উল্লেখযোগ্য। এই স্থাপত্যগুলো নির্মিত হয়েছিল মূলত দেশীয় ও দিল্লির রাজকীয় স্থাপত্যরীতির এক অপুর্ব সংমিশ্রণে।
Bengalis are so obsessed with themselves and their work that foreign invasion of culture and violence cannot attract their attention.
গত ২৪ ফেব্রুয়ারি, বৃহস্পতিবার একেবারে ঘোষণা দিয়েই রাশিয়া আক্রমন শুরু করেছে। উত্তরে বেলারুশ, দক্ষিনে ক্রিমিয়া, কৃষ্ণ সাগর আর পুর্বে সদ্য স্বাধীনতা প্রাপ্ত দোনেটস্ক ও লুহান্সক থেকে এই আক্রমন শুরু হয়েছে। স্থল, আকাশ ও জলসীমা ব্যবহার করে ক্রেমলিনের বহুমুখি এই আক্রমনে ইউক্রেন বিপর্যস্ত হওয়ার মুখোমুখি হয়ে পড়েছে।
কিছু দেশে সত্যিকার অর্থেই শরণার্থী সমস্যা বিরাজমান। উদাহরণস্বরূপ, লেবাননে, যেখানে জনসংখ্যার সম্ভবত এক-চতুর্থাংশ সিরিয়া থেকে আগত শরণার্থী আর তার উপরে ফিলিস্তিন ও ইরাক থেকে আসা শরণার্থীদের বন্যা।
গত বুধবার ভারতের কর্ণাটকের মেয়ে মুসকান খান বেশ ঝড় তুলেছে, প্রতিবাদের ঝড়। এবং এই ঝড়কে প্রতিরোধের ঝড় বলাটাও মনে হয়না ভুল হবে। আর এই ঝড়ের ঝড়ো হাওয়া ভারতের প্রতিবেশীদের নাড়িয়ে দিয়েও সারা বিশ্ব দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। সারা বিশ্ব মুগ্ধ মুসকানের এই প্রলয়ঙ্করী আবির্ভাবে। যে গুণ নিজের জন্য আবশ্যক হলেও, যারা ঘরের কোনে ঘাপটি মেরে বসে থাকে তবু প্রতিবাদ করে না অন্যায়ের, তারাও মুসকানের এই ‘একাই একশো’ রূপ দেখে বিমুগ্ধ, বিমোহিত।
কয়েক বছর আগেই, ২০১৪ সালে ইউক্রেন আক্রমন করে ক্রিমিয়া দখল করে নেয় রাশিয়া। আবার এই ২০২২ সালে এসেও হম্বিতম্বি করছে ইউক্রেন সীমান্তে দাঁড়িয়ে। আমেরিকা ও ন্যাটোর দাবি বলছে, খুব শীঘ্রই যেকোন দিন রাশিয়া আগেরবারের মত আবারো ইউক্রেন আক্রমন করতে যাচ্ছে।
ওয়াশিংটনের মতে সর্বশেষ সপ্তাহে রাশিয়া ১ লাখেরও বেশী সৈন্য ইউক্রেন ও সংযুক্ত ক্রিমিয়া সীমান্তে মোতায়েন করেছে। আর এই সেনা মোতায়েন কিয়েভ ও পশ্চিমাদের মধ্যে ভয় চড়িয়েছে যে, হয়ত মস্কোর রাজনৈতিক বলয় থেকে বেরিয়ে যাওয়া সাবেক অঙ্গরাজ্য ও প্রতিবেশীর সাথে ক্রেমলিন যুদ্ধ শুরু করতে যাচ্ছে।
প্রতিদিনই সড়ক দুর্ঘটনায় ঝরে পড়ছে তাজা তাজা প্রাণ। সংবাদ মাধ্যমে উঠে আসছে বিভৎস লাশের ছবি। এমন কোন দিন নেই যে দিনে কোন সড়ক দুর্ঘটনা ঘটছেনা।
প্রায় ১০০ দিন ব্যাপি এই হত্যাযজ্ঞে প্রতিদিন হাজার হাজার নারী, পুরুষ, শিশু নির্মম ভাবে হত্যার শিকার হয়। সেনাবাহিনী ও আধাসামরিক বাহিনী বন্দুক ও বিস্ফোরক ব্যবহার করলেও এই হত্যাকান্ডের মূল অস্ত্র ছিল রামদা, লাঠি। স্কুল, গির্জা কোথাও যেয়ে কেউ আশ্রয় পায়নি। এতদিন যেসব জায়গা আশ্রয় হিসেবে ছিল বিপদে-আপদে, সেগুলোই যেন হয়ে উঠেছিল একেকটা কসাইখানা।
“গণবিধ্বংসী অস্ত্র” বা Weapons of Mass Destruction বলতে সাধারণ অর্থে বোঝায় এমন একটি অস্ত্র যা কোন বাছ-বিচার ছাড়াই, যুদ্ধের নিয়মনীতি না মেনেই জন সাধারণের জীবন নাশকারী একটি যুদ্ধাস্ত্র, যেমন পারমানবিক বোমা বা রাসায়নিক বোমা ইত্যাদি।
গায়ে পড়ে কথা বলি কিংবা গা বাঁচানোর জন্য কথা বলি। কোন কথা আমাদের রাজনৈতিক আবার কোন কথা রাজনৈতিক শিষ্টাচার বহির্ভূত আবার কোনটা একেবারেই অরাজনৈতিক। নির্দিষ্ট সীমারেখার ভেতরে থেকেই কথা বলি আবার সীমারেখা অতিক্রম করেও কথা বলি। কিন্তু কেন আমরা কথা বলি? এই “কথা বলা আমাদের অধিকার” জন্যেই কি শুধু কথা বলি নাকি কথা বলাটা একটা কর্তব্যও বটে?
নিয়ান্ডারথালরা আমাদের বিমুগ্ধ করে, আমাদের জানায় – আমরা কে ছিলাম এবং কে হতে পারতাম। বেহেশতের আদম এবং হাওয়ার মতোই প্রকৃতির সাথে একে অপরের সাথে নির্বিবাদে বসবাস করাটা যেন মনোমুগ্ধকর কাব্যের মত।
ব্রাজিলিয়ান লেখক পাওলো কোয়েলহোর “দ্য অ্যালকেমিস্ট” বইটি ভাগ্য অনুসন্ধানের এক যুগান্তকারী বই। বইটি এখন পর্যন্ত ৮০ টির বেশি ভাষায় অনূদিত হয়েছে এবং ১৫০ মিলিয়ন এর অধিক কপি বিক্রি হয়েছে।
ভোঁতা নাকের পিস্তল থেকে গুলিটি বেরিয়ে গেছে। যে হাতে পিস্তলটি ধরা, গুলি বেরিয়ে যাওয়ার পরের মূহুর্তের ধাক্কা সামলাচ্ছে সেই হাত। আর যার মাথার খুলিতে গিয়ে গুলিটি ঢুকছে, সেই বন্দীর মুখ কুঁকড়ে যাচ্ছে গুলির আঘাতে।
এটি একটি শান্তি চুক্তি। সপ্তদশ শতকে ইউরোপে ধর্ম ও রাজনীতি নিয়ে প্রায় ত্রিশ বছর(৩০ বছর ) ধরে চলা যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটে এই শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে। ১৬১৮ সাল থেকে শুরু করে ১৬৪৮ সাল পর্যন্ত গড়ানো এই যুদ্ধের মোটামুটি সফল সমাপ্তি ঘটে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে স্বাক্ষরিত এই চুক্তির মাধ্যমে।