Switch language / ভাষা পরিবর্তন করুন
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
Read in English

ভূমিকম্পের ভূ-প্রাকৃতিক কারণ, ধ্বংসাত্মক প্রভাব ও দুর্যোগ প্রস্তুতি

সারকথা

২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে তুরস্ক ও সিরিয়ার ভয়াবহ ভূমিকম্পে ৫১ হাজারের বেশি মানুষের প্রাণহানির প্রেক্ষাপটে টেকটনিক পাতের সঞ্চালন, ফাটল বলয়, তীব্রতা পরিমাপ পদ্ধতি এবং অবকাঠামোগত সুরক্ষার বিশদ বিশ্লেষণ।

রাকিবুল ইসলাম
লিখেছেন:রাকিবুল ইসলাম
প্রকাশিত: ৪ মার্চ ২০২৩•পড়তে ৬ মিনিট লাগবে
ভূমিকম্পের ভূ-প্রাকৃতিক কারণ, ধ্বংসাত্মক প্রভাব ও দুর্যোগ প্রস্তুতি

২০২৩ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি ভোরে দক্ষিণ ও মধ্য তুরস্ক এবং উত্তর-পশ্চিম সিরিয়ায় আঘাত হানে এক শতাব্দীর অন্যতম প্রলয়ঙ্করী ভূমিকম্প। মোমেন্ট ম্যাগনিটিউড স্কেলে ৭.৮ ($M_w$) মাত্রার এই কম্পনটি লেভান্ট অঞ্চলে আধুনিক ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ ভূকম্পন হিসেবে রেকর্ড করা হয়, যার মার্সালি তীব্রতা ছিল সর্বোচ্চ একাদশ (XI - চরম বা Extreme)। এর কম্পন লেবানন, সাইপ্রাস ও ফিলিস্তিন থেকে শুরু করে সুদূর মিসর ও কৃষ্ণসাগর উপকূল পর্যন্ত অনুভূত হয়। প্রায় ৩ লক্ষ ৫০ হাজার বর্গকিলোমিটার এলাকা জুড়ে বিস্তৃত এই দুর্যোগে ১ কোটি ৪০ লাখের বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হন এবং বাস্তুহারা হন ১৫ লক্ষাধিক মানুষ।

দুই দেশ মিলিয়ে মোট প্রাণহানি ছাড়িয়ে যায় ৫১ হাজার ৮০০ জন—যা আধুনিক তুরস্কের ইতিহাসে সবচেয়ে প্রাণঘাতী প্রাকৃতিক বিপর্যয় এবং ১৮২২ সালের আলেপ্পো ট্র্যাজেডির পর সিরিয়ায় সবচেয়ে ভয়াবহ ভূমিকম্প। তুরস্কে প্রায় ৮৪ বিলিয়ন ডলার এবং সিরিয়ায় ৫ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি আর্থিক ক্ষয়ক্ষতির হিসাব নিকাশ করা হয়, যা একে বৈশ্বিক ইতিহাসের চতুর্থ সর্বাধিক ব্যয়বহুল প্রাকৃতিক দুর্যোগে রূপ দেয়। এই ট্র্যাজেডি কেবল ভূগর্ভস্থ গতিশীলতার প্রলয়ঙ্করী শক্তির সাক্ষ্যই দেয় না, বরং মানবসভ্যতার অবকাঠামোগত ঝুঁকি ও সুরক্ষার প্রশ্নটিকেও সামনে নিয়ে আসে।

ভূমিকম্প কী এবং কীভাবে সংঘটিত হয়?

ভূমিকম্প হলো ভূত্বকের একটি আকস্মিক ও তীব্র কম্পন, যা মূলত ভূগর্ভের শিলাস্তরে দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা স্থিতিস্থাপক বিকৃতি শক্তি (elastic strain energy) হঠাৎ মুক্ত হওয়ার ফলে ঘটে। এই শক্তি সিসমিক তরঙ্গ (seismic waves) আকারে পৃথিবীর লিথোস্ফিয়ারের মধ্য দিয়ে চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। প্রাথমিক অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ (P-waves), অনুপ্রস্থ সেকেন্ডারি তরঙ্গ (S-waves) এবং উচ্চ-মাত্রার পৃষ্ঠীয় তরঙ্গের (Surface waves) মিথস্ক্রিয়ায় ভূপৃষ্ঠ কেঁপে ওঠে, ভূমি বিদীর্ণ হয় এবং ভূতাত্ত্বিক ও মানবনির্মিত স্থাপনা ধসে পড়ে।

ভূতাত্ত্বিক কারণ: টেকটনিক পাত ও ফল্ট মেকানিক্স

ভূমিকম্পের মূল চালিকাশক্তি হলো প্লেট টেকটনিক তত্ত্ব। পৃথিবীর কঠিন বহিরাবরণী বা লিথোস্ফিয়ার একাধিক বিশাল টেকটনিক পাতে বিভক্ত, যা সান্দ্র অ্যাস্থেনোস্ফিয়ারের ওপর নিরন্তর ধীরগতিতে সঞ্চালিত হচ্ছে। পাতের এই পারস্পরিক গতিশীলতার কারণে প্রধানত তিন ধরনের টেকটনিক সীমানা সৃষ্টি হয়:

১. অভিসারী সীমানা (Convergent Boundaries): দুটি পাত যখন পরস্পরের দিকে অগ্রসর হয় এবং একটি পাত অন্যটির নিচে দেবে যায় (Subduction)। এখানে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী মেগাথ্রাস্ট ভূমিকম্প সৃষ্টি হয় (যেমন ২০০৪ সালের সুমাত্রা-আন্দামান ভূমিকম্প)।

২. অপসারী সীমানা (Divergent Boundaries): দুটি পাত যখন পরস্পরের থেকে দূরে সরে যায়, যেমন মধ্য-মহাসাগরীয় শৈলশিরা। এখানে সাধারণত অগভীর ও প্রসারণমূলক টানাপোড়েন ফল্টের কারণে মধ্যম মাত্রার ভূমিকম্প হয়।

সম্পর্কিত বিশ্লেষণ
জলবায়ু পরিবর্তন কী? পরিবেশ, অর্থনীতি ও মানবজাতির ওপর এর ধ্বংসাত্মক প্রভাব

জলবায়ু পরিবর্তন একুশ শতকের সবচেয়ে মারাত্মক বৈশ্বিক সংকট। সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, চরম আবহাওয়া এবং বাস্তুতন্ত্রের বিপর্যয় কীভাবে অর্থনীতি ও জনস্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব ফেলছে—তার বিশদ বৈজ্ঞানিক ও তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ।

রাকিবুল ইসলাম • পরিবেশ বিজ্ঞান
সম্পূর্ণ পড়ুন →

৩. রূপান্তর সীমানা (Transform Boundaries): পাত দুটি একে অপরকে অনুভূমিকভাবে অতিক্রম করে চলে (Strike-slip movement)। তুরস্কের আনাতোলিয়ান ফল্ট বা ক্যালিফোর্নিয়ার সান আন্দ্রেয়াস ফল্ট এর প্রকৃষ্ট উদাহরণ, যেখানে অগভীর উৎপত্তিস্থল বিশিষ্ট মারাত্মক ভূমিকম্প ঘটে থাকে।

মানবপ্ররোচিত ভূকম্পন (Anthropogenic Seismicity)

প্রাকৃতিক টেকটনিক সঞ্চালন ছাড়াও মানুষের নানাবিধ শিল্প কর্মকাণ্ড ভূমিকম্প ডেকে আনে: গভীর ভূগর্ভে বর্জ্যপানি প্রবেশ করানো (হাইড্রোলিক ফ্র্যাকচারিং বা ফ্র্যাকিং), গভীর ভূ-তাপীয় শক্তি উত্তোলন, ভারী খনি খনন এবং দানবাকৃতির বাঁধ নির্মাণের পর কৃত্রিম জলাধারের বিপুল জলরাশির মহাকর্ষীয় চাপ ভূগর্ভস্থ ফাটলরেখাকে স্থানচ্যুত করতে পারে।

ভূমিকম্প পরিমাপ: ম্যাগনিটিউড বনাম তীব্রতা

ভূমিকম্পের শক্তি নিরূপণে ভূবিজ্ঞানীরা মূলত দুটি ভিন্ন স্কেল ব্যবহার করেন:

১. মোমেন্ট ম্যাগনিটিউড স্কেল ($M_w$)

ঐতিহাসিক রিখটার স্কেল সিসমোগ্রাফ যন্ত্রের তরঙ্গের বিস্তার পরিমাপ করত, যা অতিমাত্রার ভূমিকম্পে সঠিক মান নির্দেশ করতে ব্যর্থ হতো (Saturation effect)। তাই আধুনিক ভূ-পদার্থবিদ্যায় ব্যবহৃত হয় মোমেন্ট ম্যাগনিটিউড স্কেল ($M_0 = \mu A D$)। এটি শিলার দৃঢ়তা ($\mu$), ফাটলের ক্ষেত্রফল ($A$) এবং গড় স্থানচ্যুতি ($D$) গণনা করে নির্গত মোট গতিশক্তি নির্দেশ করে। স্কেলের প্রতিটি পূর্ণসংখ্যা বৃদ্ধিতে প্রায় ৩২ গুণ বেশি শক্তি নির্গমন বোঝায়।

মৌলিক লেখা আহ্বান • CONTRIBUTORS WANTED

মেরুনপেপারে আপনার চিন্তাশীল ও গবেষণাধর্মী লেখা প্রকাশ করুন

আইন, রাজনীতি, দর্শন, অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতি বিষয়ে মৌলিক গবেষণা ও বিশ্লেষণ লিখে পৌঁছে দিন অনুসন্ধিৎসু পাঠকদের কাছে।

লেখা জমা দিন →

২. পরিবর্তিত মার্সালি তীব্রতা স্কেল (MMI)

১ থেকে ১২ (I থেকে XII) পর্যন্ত রোমান সংখ্যায় চিহ্নিত এই স্কেলটি কোনো নির্দিষ্ট স্থানে ভূমিকম্পের চাক্ষুষ ধ্বংসযজ্ঞ, মানুষের অনুভূতি এবং ভূ-পৃষ্ঠীয় ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা নিরূপণ করে। ম্যাগনিটিউড সর্বত্র এক হলেও উপকেন্দ্র থেকে দূরত্বের ওপর নির্ভর করে তীব্রতা ভিন্ন হয়।

গৌণ প্রাকৃতিক ঝুঁকি: লিকুইফ্যাকশন, সুনামি ও আফটারশক

সরাসরি কম্পন ছাড়াও ভূমিকম্প একাধিক মারাত্মক গৌণ দুর্যোগের সূচনা করে:

মাটির তরলীকরণ (Soil Liquefaction): ভূকম্পনের তীব্র ঝাঁকুনিতে জলসিক্ত অসংহত বালুময় মাটিতে ছিদ্রস্থ পানির চাপ (pore water pressure) তীব্রভাবে বেড়ে যায়, ফলে শক্ত মাটি ক্ষণিকের জন্য ঘন তরলের মতো আচরণ করতে শুরু করে। ভবনের ভিত্তি ধসে তলিয়ে যায় বা কাত হয়ে পড়ে।

সুনামি (Tsunamis): সমুদ্রগর্ভের টেকটনিক ফাটলে উল্লম্ব স্থানচ্যুতির ফলে কোটি কোটি টন সমুদ্রজল উল্লম্বভাবে স্ফীত হয়, যা উপকূলের দিকে ধাবিত হয়ে দানবীয় ঢেউ তৈরি করে।

বিশেষ সুপারিশ
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নিবন্ধন স্থগিত করল নির্বাচন কমিশনঃ রাজনৈতিক প্রভাব ও ভবিষ্যৎ পথ

গত ১২ই মে, ২০২৫ সাবেক শাসক দল আওয়ামী লীগের সব কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে সরকারের প্রজ্ঞাপন জারির পর এবার আওয়ামী লীগের নিবন্ধন স্থগিত করল নির্বাচন কমিশন।

রাকিবুল ইসলাম • রাজনীতি
সম্পূর্ণ পড়ুন →

ভূমিধস: পাহাড়ি ও ঢালু অঞ্চলে মাটির স্থিতিশীলতা বিনষ্ট হয়ে বিশাল শিলাখণ্ড ও মাটির স্তূপ সড়ক ও নদীর ওপর আছড়ে পড়ে।

আফটারশক শৃঙ্খল: মূল ভূমিকম্পের পর পরিবর্তিত ভূ-চাপের সাম্যাবস্থা ফিরে পেতে মূল ফল্টের আশপাশে কয়েক দিন বা মাসব্যাপী শত শত ছোট-বড় পরাঘাত বা আফটারশক হতে থাকে, যা পূর্বে ক্ষতিগ্রস্ত ভবনগুলোকে ধসিয়ে দেয়।

তুরস্ক-সিরিয়া ট্র্যাজেডি: আনাতোলিয়ান ফল্টের ভূ-গতিশীলতা

তুরস্কের ভৌগোলিক অবস্থান তিনটি প্রধান টেকটনিক পাতের মিলনস্থল—ইউরেশিয়ান, আফ্রিকান ও অ্যারাবিয়ান পাত। অ্যারাবিয়ান পাতের উত্তরমুখী চাপ আনাতোলিয়ান ক্ষুদ্র পাতটিকে পশ্চিম দিকে ঠেলে দিচ্ছে। ২০২৩ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি পূর্ব আনাতোলিয়ান ফল্ট বরাবর প্রথম ৭.৮ মাত্রার ফাটল তৈরি হয়। মাত্র ৯ ঘণ্টা পর এর অনতিদূরে চারাডাক ফল্টে ৭.৫ মাত্রার দ্বিতীয় একটি পৃথক ভূমিকম্প সংঘটিত হয়।

তুরস্কের কাহরামানমারাস ও হাতায় প্রদেশে ২০২৩ সালের ভূমিকম্পের ধ্বংসলীলা

উৎপত্তিস্থল অগভীর হওয়ায় (১০ থেকে ১৮ কিলোমিটার) ভূমির ত্বরণ ছিল অভাবনীয় রকমের হিংস্র। কেবল তুরস্কেই ১ লক্ষ ৬০ হাজারের বেশি ভবন সম্পূর্ণ ধ্বংস বা অপূরণীয়ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সেখানে নির্মাণনীতি ও ভূমিকম্পসহনশীল কোড (Seismic Building Codes) অমান্য করার কারণে আধুনিক বহুতল ভবনগুলো তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে (Pancake collapse)। যুদ্ধবিধ্বস্ত উত্তর সিরিয়ায় এই দুর্যোগ স্বাস্থ্য ও ত্রাণ অবকাঠামোকে পুরোপুরি বিপর্যস্ত করে দেয়।

তুরস্কের হাতায়ে ভূমিকম্পে বিদীর্ণ জলপাই বাগান
তুরস্কের হাতায় প্রদেশের একটি জলপাই বাগানের ভেতর দিয়ে বয়ে যাওয়া টেকটনিক ফাটলরেখা।

কাঠামোগত নিরাপত্তা ও দুর্যোগ প্রস্তুতি

আধুনিক বিজ্ঞানের পক্ষে ভূমিকম্পের সুনির্দিষ্ট দিনক্ষণ ও স্থান পূর্বানুমান (Prediction) করা এখনো সম্ভব নয়। তবে কার্যকর ইঞ্জিনিয়ারিং ও বিজ্ঞানসম্মত প্রস্তুতি নিশ্চিত করলে প্রাণহানি প্রায় শূন্যে নামিয়ে আনা সম্ভব:

  • সিসমিক বিল্ডিং কোড কঠোরভাবে প্রয়োগ: নমনীয় কাঠামো (Ductile design), রিইনফোর্সড কনক্রিট শিয়ার ওয়াল, বেস আইসোলেশন প্রযুক্তি ব্যবহার করা—যা মাটির কম্পন থেকে ভবনের মূল কাঠামোকে বিচ্ছিন্ন রাখে।
  • ভূতাত্ত্বিক জোনিং আইন: নদীর পলিগঠিত দুর্বল তলদেশ বা পরিচিত ফল্ট লাইনের ওপর অপরিকল্পিত বহুতল আবাসন নির্মাণ নিষিদ্ধ করা।
  • আর্লি ওয়ার্নিং সেন্সর নেটওয়ার্ক: দ্রুতগামী P-ওয়েভ শনাক্ত করে স্বয়ংক্রিয়ভাবে গ্যাস পাইপলাইন, হাই-স্পিড রেল ও বিদ্যুৎ গ্রিড বন্ধ করে দেওয়ার ব্যবস্থা গ্রহণ করা, যা মূল ধ্বংসাত্মক S-ওয়েভ আসার কয়েক সেকেন্ড আগে মানবসম্পদ রক্ষা করে।
  • নাগরিক সচেতনতা ও ড্রিল: নিয়মিত 'ড্রপ, কভার অ্যান্ড হোল্ড অন' মহড়া, জরুরি ব্যাকপ্যাক প্রস্তুত রাখা এবং স্থানীয় পর্যায়ে উদ্ধার তৎপরতার আধুনিক সরঞ্জাম মজুদ রাখা।

উপসংহার

ভূমিকম্প একটি জীবন্ত পৃথিবীর অপরিহার্য প্রাকৃতিক প্রতিক্রিয়া। নগরায়নের দ্রুত বিস্তারের যুগে ঘনবসতিপূর্ণ অঞ্চলগুলোতে মানুষের ঝুঁকি টেকটনিক পাতের ওপর নয়, বরং মানুষের গড়া অবকাঠামোর টেকসই নির্মাণের ওপর নির্ভরশীল। বৈজ্ঞানিক জ্ঞানকে কঠোর নির্মাণ নীতিতে রূপান্তর এবং বাস্তবসম্মত দুর্যোগ প্রস্তুতিই পারে পরবর্তী প্রলয় থেকে মানবজাতিকে রক্ষা করতে।

রেটিং

(নতুন)

শেয়ার

পাঠকের মন্তব্য ও পর্যালোচনা

(০)
মন্তব্য করতে Google বা Facebook দিয়ে লগইন করা আবশ্যক
রাকিবুল ইসলাম
রাকিবুল ইসলাম

লেখক (Author)

আইন, রাজনীতি, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও সমাজতত্ত্বের অনুসন্ধিৎসু গবেষক ও লেখক। মেরুনপেপারের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান কন্ট্রিবিউটর হিসেবে নিয়মিত সমসাময়িক ভূ-রাজনীতি ও সাংবিধানিক বিষয়াবলী নিয়ে লিখছেন।

সম্পর্কিত নিবন্ধ

আরও দেখুন →
জলবায়ু পরিবর্তন কী? পরিবেশ, অর্থনীতি ও মানবজাতির ওপর এর ধ্বংসাত্মক প্রভাবপরিবেশ বিজ্ঞান

জলবায়ু পরিবর্তন কী? পরিবেশ, অর্থনীতি ও মানবজাতির ওপর এর ধ্বংসাত্মক প্রভাব

জলবায়ু পরিবর্তন একুশ শতকের সবচেয়ে মারাত্মক বৈশ্বিক সংকট। সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, চরম আবহাওয়া এবং বাস্তুতন্ত্রের বিপর্যয় কীভাবে অর্থনীতি ও জনস্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব ফেলছে—তার বিশদ বৈজ্ঞানিক ও তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ।

২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৩পড়ুন →
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নিবন্ধন স্থগিত করল নির্বাচন কমিশনঃ রাজনৈতিক প্রভাব ও ভবিষ্যৎ পথরাজনীতি

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নিবন্ধন স্থগিত করল নির্বাচন কমিশনঃ রাজনৈতিক প্রভাব ও ভবিষ্যৎ পথ

গত ১২ই মে, ২০২৫ সাবেক শাসক দল আওয়ামী লীগের সব কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে সরকারের প্রজ্ঞাপন জারির পর এবার আওয়ামী লীগের নিবন্ধন স্থগিত করল নির্বাচন কমিশন।

১৪ মে ২০২৫পড়ুন →
জাতীয়তাবাদঃ ধারণা, গুরুত্ব ও আধুনিক সভ্যতায় প্রভাবরাজনীতি

জাতীয়তাবাদঃ ধারণা, গুরুত্ব ও আধুনিক সভ্যতায় প্রভাব

জাতীয়তাবাদ এমন একটি ধারণা, যা মূলত একটি জাতির সাংস্কৃতিক, ঐতিহাসিক এবং রাজনৈতিক একাত্মতা, স্বাধিকার এবং স্বাধীনতা নিয়ে কাজ করে। সাধারণত জাতির মানুষের মধ্যে একে অপরের প্রতি ভালোবাসা, শ্রদ্ধা এবং ঐক্য সৃষ্টির জন্য এটি গড়ে ওঠে।

১১ জানুয়ারি ২০২৫পড়ুন →
এইপ্যাক (AIPAC) কি? মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে ইসরায়েলের প্রভাবরাজনীতি

এইপ্যাক (AIPAC) কি? মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে ইসরায়েলের প্রভাব

এইপ্যাক (AIPAC) যুক্তরাষ্ট্রের একটি অন্যতম প্রভাবশালী লবিং সংগঠন, যার মূল লক্ষ্য হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে শক্তিশালী এবং ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রাখা।

৩০ অক্টোবর ২০২৪পড়ুন →

মেরুনপেপারের সাথে যুক্ত থাকুন

আইন, রাজনীতি, ইতিহাস ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কের বিশ্লেষণধর্মী সেরা প্রবন্ধগুলো প্রতি সপ্তাহে সরাসরি আপনার ইনবক্সে পেতে সাবস্ক্রাইব করুন।

আমরা স্প্যাম করি না। যেকোনো সময় আনসাবস্ক্রাইব করতে পারবেন।