ইসরায়েল ও ফিলিস্তিন যুদ্ধের ইতিহাস
ইসরায়েল ও ফিলিস্তিন যুদ্ধের ইতিহাস শুরু ফিলিস্তিনি জনগণদের বেদখল করে দখলদার ইসরাইলি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে।
মেরুনপেপারে প্রকাশিত সমস্ত গবেষণা, মতামত, বই পর্যালোচনা ও বিশ্লেষণধর্মী প্রবন্ধের সম্পূর্ণ সংকলন।
ইসরায়েল ও ফিলিস্তিন যুদ্ধের ইতিহাস শুরু ফিলিস্তিনি জনগণদের বেদখল করে দখলদার ইসরাইলি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে।
মার্শাল পরিকল্পনা ছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর ইউরোপের অর্থনৈতিক পুনর্গঠনের জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি আর্থিক সহায়তা কর্মসূচি।
ভার্সাই চুক্তি হলো প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পরপর অনুষ্ঠিত প্যারিস শান্তি সম্মেলনে মিত্রশক্তি এবং জার্মানির মধ্যে সম্পাদিত একটি শান্তি চুক্তি। ১৯১৯ সালের ২৮ জুন ফ্রান্সের ভার্সাই প্রাসাদে এই চুক্তি সম্পাদিত হয়েছিল।
জাতীয়তাবাদ হলো একটি জাতি বা সম্প্রদায়ের লোকদের আনুগত্য, পরিচয় এবং স্বার্থের উপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা রাজনৈতিক মতাদর্শ বা প্রবণতা যাদের মধ্যে একটি সাধারণ সংস্কৃতি, ইতিহাস, ভাষা বা ধর্ম বিরাজমান।
আহমদ শাহ আব্দুল এর প্রতিষ্ঠিত আফগানিস্তানের রাজতন্ত্রের পতনের মাধ্যমে আফগান ইতিহাস একটি গতানুগতিক ধারা হতে বিচ্যুত হয় এবং পরবর্তীকালে আফগান ইতিহাসে প্রবেশ করে এটি নতুন অধ্যায়ে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের এই আদর্শিক বিরোধ, পারস্পরিক সন্দেহ ও অবিশ্বাসই স্নায়ু যুদ্ধ।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যকার সম্পর্ককে প্রায়শই ‘অবিচ্ছেদ্য’ হিসেবে চিত্রিত করা হয়। কয়েক দশক ধরে নানা চড়াই-উতরাই ও ভূ-রাজনৈতিক পরিবর্তনের মধ্য দিয়েও এই অংশীদারিত্ব টিকে রয়েছে। কিন্তু ঠিক কী কারণে ওয়াশিংটন ধারাবাহিকভাবে ইসরায়েলের পাশে দাঁড়িয়েছে? এর পেছনে নিহিত মূল কারণগুলো কী?
সাক্ষ্য হলো এমন একটি বক্তব্য বা বিবৃতি যা কোন ঘটনা বা বিষয়ের সত্যতা প্রমাণ করার জন্য আদালতে প্রদান করা হয়।
ফিলিস্তিনের ভূমিতে শতাব্দীর দীর্ঘ দখলদারিত্ব, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং ফিলিস্তিনিদের ওপর সংঘটিত পাশবিকতার নেপথ্য চালিকাশক্তি: জায়নবাদী চরমপন্থা, বর্ণবাদী শাসন এবং আমেরিকার নিঃশর্ত সামরিক ও কূটনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা।
বার্লিন কংগ্রেসের ফলস্বরূপ জার্মানিও ইউরোপের অন্যান্য পরাশক্তিগুলোর অনুসরণে জার্মান সাম্রাজ্যবাদ প্রতিষ্ঠায় কাজ শুরু করে সম্রাট দ্বিতীয় উইলিয়ামের অধীনে।
সুদীর্ঘ ও গভীরে প্রোথিত ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংকট গত এক শতাব্দীরও অধিক সময় ধরে অগণিত মানুষের অবর্ণনীয় দুর্দশা ও বাস্তুচ্যুতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
‘হামাস’ একটি আরবি শব্দ, যার অর্থ ‘গভীর অনুরাগ’ বা ‘উদ্দীপনা’। এটি একই সাথে ‘ইসলামিক রেজিস্ট্যান্স মুভমেন্ট’-এর সংক্ষিপ্ত রূপ। সংগঠনটি মূলত সুন্নি ইসলামপন্থী মতাদর্শে বিশ্বাসী একটি ফিলিস্তিনি জাতীয়তাবাদী রাজনৈতিক ও সশস্ত্র গোষ্ঠী।
ঘটনাপ্রবাহের এক অভাবনীয় মোড়কে, ফিলিস্তিনি গোষ্ঠী হামাস ইসরায়েলের ভূখণ্ডে এক দুঃসাহসী ও বহুমুখী সামরিক অভিযান পরিচালনা করেছে।
বিংশ শতাব্দীর ইরানের ইতিহাসে সর্বাপেক্ষা উল্লেখযোগ্য ঘটনা হলো ১৯৭৯ সালের প্রথম দিকে ইমাম খোমেনীর নেতৃত্বে ইরানের ইসলামী বিপ্লব, যার মাধ্যমে আমেরিকা-ব্রিটেনের সাম্রাজ্যবাদ ও তাদের অনুচর পাহলভী রাজবংশের পতন ঘটিয়ে ইসলামি প্রজাতন্ত্রের সূচনা করা হয়।
রাষ্ট্র রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অন্যতম মৌলিক ধারণা, যা শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে নিরন্তর বিতর্ক ও বুদ্ধিবৃত্তিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে অবস্থান করছে।