৭ নভেম্বর ও দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতি: শহীদ জিয়ার সার্বভৌম ডকট্রিন
১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহী-জনতার অভ্যুত্থান বাংলাদেশের ইতিহাসে কোনো সাধারণ ক্ষমতার পালাবদল ছিল না। এটি ছিল নয়াদিল্লির করদরাজ্য বানানোর নীল নকশা গুঁড়িয়ে দিয়ে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশের মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর ঐতিহাসিক ঘোষণা।

পাঠকের মন্তব্য ও পর্যালোচনা
(০)লেখক (Author)
আইন, রাজনীতি, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও সমাজতত্ত্বের অনুসন্ধিৎসু গবেষক ও লেখক। মেরুনপেপারের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান কন্ট্রিবিউটর হিসেবে নিয়মিত সমসাময়িক ভূ-রাজনীতি ও সাংবিধানিক বিষয়াবলী নিয়ে লিখছেন।
সম্পর্কিত নিবন্ধ
আরও দেখুন →জিও-পলিটিক্যাল ও কালচারাল সার্বভৌমত্বের আইকন জিয়া
৭ নভেম্বরকে বাংলাদেশের জিও-পলিটিক্যাল ও কালচারাল সার্বভৌমত্ব রিক্লেইম করার দিন বলে মনে হয়েছে সবসময়। বেড়ে ওঠার সময়টাতে যে আনন্দময় শৈশব-কৈশোর উপহার দিয়েছে ৭ নভেম্বর পরবর্তী জিয়াউর রহমানের শাসনকাল; যাপিত জীবনের সেই অভিজ্ঞতা জিয়াকে একজন অনন্য নায়ক হিসেবে চিত্রিত করে।
রাজনীতিআন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালতে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে দক্ষিণ আফ্রিকার মামলা
গত ২৯ শে ডিসেম্বরে জাতিসংঘের প্রধান অংগ সংগঠন আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালতে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে দক্ষিণ আফ্রিকার মামলা দায়ের করে বেশ সাহসী একটি পদক্ষেপ নিয়েছে।
রাজনীতিনাগর্নো-কারাবাখ সংঘাত: দক্ষিণ ককেশাস অঞ্চলে শান্তি
তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে আজারবাইজানের ভূখণ্ডে বিষাক্ত হয়ে থাকা নাগর্নো-কারাবাখ সমস্যার সমাধানকল্পে ১০ই নভেম্বর এক ঐতিহাসিক সন্ধি স্বাক্ষরিত হয়। ওই দিন আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান সামরিক সংঘাত অবসানের লক্ষে একমত পোষণ করে...
অভিমতমক্কা চুক্তি: বাংলাদেশের যৌথ প্রতিরক্ষায় যোগদান কেন অপরিহার্য?
মক্কা চুক্তি ২০২৬ সালের ৭ আগস্ট সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়। এতে বলা হয়েছে, এক সদস্যের ওপর সশস্ত্র আক্রমণ হলে তা সবার ওপর আক্রমণ ধরা হবে। বাংলাদেশের যুক্তি সহজ: সীমান্ত হত্যা, পানি আর ট্রানজিট — তিনটিতেই দরকষাকষির জায়গা এখন প্রায় শূন্য। এই লেখার দাবি, একটি যৌথ কাঠামো সেই জায়গাটা ফিরিয়ে দিতে পারে।